অসহায় রোগীদের দেখেন নেন মাত্র ১টাকা ফি, গিনিস বুকে নাম উঠলো মহান বাঙালি ডাক্তারের

ভগবান কি বা কেমন দেখতে তাকে কখনো আমরা চোখে দেখি নি তাই মানুষের কাছে সব থেকে আগে ভগবান হলেন একজন চিকিৎসক। চিকিৎসকরা নিজের ডাক্তারি পড়াশুনা শেষ করার পর মানব সেবায় ব্রতী হবে বলে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ হয়ে এর মধ্যে অনেক চিকিৎসকই প্রতিশ্রুতি ভ’ঙ্গ করে নানা দু’ষ্ক’র্মে লিপ্ত হয়।

ডাক্তাররা ‘দু’ষ্ক’র্মের লিপ্ত হওয়ার ঘটনা আমাদের অনেকবারই দৃষ্টিগোচরে আসে। আবার অনেক ডাক্তার নিজের প্রতিশ্রুতি রাখার জন্য দ্বারা দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মানুষকে সুস্থ করে তোলে। এবার আমাদের সামনে সোশ্যাল মিডিয়ার নিয়ে এসেছে এমনই এক ডাক্তারবাবুকে যে ডাক্তারবাবু হলেন গরিবের কাছে মহান এক ভগবান সমতুল্য। বোলপুরের হরগৌরী পাড়াতে প্রতিদিন বহু মানুষের লাইন পড়ে।

বহুদূর আ’রোগ্য ব্যথা নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষটা হাজির হয় ডঃ সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। ওই রো’গীদের ভিড় দেখলে বোঝা যায় ভগবান স্বয়ং নিজে মানুষের কাছে আসতে পারে না তাই এই চিকিৎসকের রূপ ধরি’ হয়তো ভগবানই গরীব মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য এসেছেন স্বর্গ থেকে।

চিকিৎসক সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায় বোলপুর বাস করেন তার বাবা পেশায় ছিলেন একজন গোয়েন্দা। তার মা মনিমালা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন একজন গৃহবধূ তার স্ত্রী ছায়া বন্দ্যোপাধ্যায় গৃহবধূ। কিন্তু ওই চিকিৎসকের মেয়ে জামাই দুজনেই চিকিৎসক।

১৯৬২ সালে তিনি এম.বি.বি.এস পাশ করে, ১৯৬৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হেমাটোলজিস্ট গোল্ড মেডেলিস্ট। ডাক্তার হওয়া সত্ত্বেও প্রতিটা মানুষের কাছ থেকে পারিশ্রমিক হিসেবে নেন মাত্র এক টাকা। অবশ্যই নাকি চিকিৎসক বললে ভুল হবে ইনি হলেন মানুষের কাছে একজন ভগবান। তার জীবনকাহিনী থেকে জানা যায় একদিন সাইকেল করে বেরিয়েছিলেন চিকিৎসা করতেন। রাস্তায় দেখতে পান একটি মানুষ গামছা পড়ে বসে আছেন তখন থেকে গরিব মানুষের প্রতি সহানুভূতি জেগে উঠলো।

মনে মনে ঠিক করে নিলেন এরপর থেকে তিনি গরিবদের জন্য পরিষেবা দেবেন। এবার তার এই দায়িত্ব-কর্তব্যের জন্য গিনিসবুকে নাম উঠতে চলেছে ওই চিকিৎসকের।

Reply