মার্সিডিজে পাখির বাসা, পাখির বাসা বাঁচাতে গাড়ি চাপাই বন্ধ করে দিলেন দুবাইয়ের রাজকুমার

“রাজ দায়িত্ব পালন করলেন রাজপুত্র”। হ্যাঁ, রাজ দায়িত্বই বটে! স্মার্টফোনের যুগে ‘ফোর জি’ ‘ফাইভ’ জি’ নেটওয়ার্কের স্পিড দিতে গিয়ে জীব বৈচিত্রের উপর প্রভাব পড়ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে অ’মা’নবিকতার যুগেও যে মানবিক হওয়া যায় তার প্রমাণ করে দেখালেন দুবাইয়ের রাজকুমার। তার গাড়ির বনেটে বাসা বেঁধেছিল দুটি পাখি। সংসার পাতার জন্য একেবারে দুবাইয়ের রাজপুত্র শেখ হামদান বিন মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতৌমের বহুমূল্য মার্সিডিজ বেঞ্জের বনেটকেই বেছে নিয়েছিল ঘুঘু দম্পতি৷ রাজকুমার সেই পাখি গুলিকে উৎ’খা’ত করেননি, বরং নিজেই গাড়ি চাপা বন্ধ করে দিলেন।

অবুঝ মন হয়তো বুঝতে পেরেছিল পৃথিবীর এক প্রান্ত দুবাইয়ের রাজকুমার হয়তো সত্যিই পরিবেশপ্রেমী। শুনে মজা লাগলেও এমন ঘটনা বাস্তবেই ঘটেছে। নিজের দামি মার্সিডিজের উপরে পাখির বাসা দেখে বেশ কিছুদিনের জন্য ওই গাড়িতে চড়াই বন্ধ করে দেন তিনি৷

নিজের গাড়িটি সাদা এবং লাল টেপ দিয়ে ঘিরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছছেন তিনি৷ এমনকী, নিজের কর্মচারীদের গাড়িটির আশপাশে যেতেও নিষেধ করেন তিনি যাতে পাখিগুলির বিরক্ত বোধ না হয়।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসামাত্রই ভিডিওটি ভাইরাল হয়। শাহজাদা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর সেই গাড়িটির একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যাচ্ছে, শুধু বাসাই বাঁধেনি, সেই বাসায় ডিম-ও পেরেছে পাখিটি।

সেই ডিম ফুটে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ছানাও হয়েছে। ভিডিওটির ক্যাপশনে শাহজাদা লিখেছেন, “কখনও কখনও জীবনের ছোট ছোট জিনিসগুলিই পর্যাপ্ত হয়ে থাকে”। ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে রাজকুমারের মা পাখিদের খাইয়ে দিচ্ছেন। রাজকুমারের এমন কীর্তি দেখার পরে সবাই তাকে বাহবা দিয়েছেন।

Reply