কোনও রাজ্য নয়। উপযুক্ত প্রতিষেধক সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্ব থাকছে কেন্দ্রের হাতেই। জানালো দিল্লি!

রাজ্যের ওপর নয় বরং কেন্দ্রের হাতেই থাকছে করোনার সঠিক প্রতিষেধক সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্ব। করোনা সংক্রমণ রুখতে দেশে কোন ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হবে তা স্থির হলে সেই প্রতিষেধক সংগ্রহ ও সরবরাহের দায়িত্ব নেবে কেন্দ্র‌ই বিশেষজ্ঞ দলের বৈঠকের পরে এমনটাই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দেশের সর্বত্র সমান বন্টনে ভ্যাকসিনন পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দলের বৈঠকের পরে এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি।

মঙ্গলবার‌ই বিশ্বের প্রথম করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা করে রাশিয়া। সেই দিনেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক প্রতিশেধক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ‘ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ অন ভ্যাকসিন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ নামে বিশেষজ্ঞ দল গঠন করে। বুধবার সেই দল বৈঠকে বসে। নেতৃত্বে ছিলেন নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভি কে পাল। এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ-সহ বিশেষজ্ঞরা সম্ভাব্য ভ্যাকসিন কীভাবে দেশে সংগ্রহ ও সরবরাহ করা হবে তা নিয়ে আলোচনা করেন। এর পরেই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও রাজ্যই যেন ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য আলাদা পথ না নেয় তার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন্দ্রীয় ভাবেই সাম্য বজায় রেখে দেশের সব প্রান্তে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, বুধবারের বৈঠকে ভ্যাকিসন সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে বিশেষজ্ঞ দল। কোন ভ্যাকসিন দেশ গ্রহণ করবে সেটা ঠিক করবে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইসারি গ্রুপ অন ইমিউনিজেশন। ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য কী কী ভাবে অর্থের সংস্থান হতে পারে তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। আপাতত ঠিক হয়েছে প্রতিষেধকের কার্যকারিত নিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরে তা সংগ্রহ করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছানো হবে ‘কোল্ড চেন’-এর মাধ্যমে। সরবরাহের কাজ যাতে স্বচ্ছতার সঙ্গে হয় তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে আলোচনায়। প্রতিশোধক বাজারে এসে গেলে সাধারণের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পরিকল্পনাও করা হয়েছে।

Reply