ভারতের বুকে তৈরি এই বিশাল ব্রিজের অজানা এই তথ্য জানলে গর্বিত হবেনই

প্রায় ১৪ বছর সময় লেগেছে এটি তৈরি করতে৷ এখন এটি পুরোপুরি প্রস্তুত৷ নয়াদিল্লির সিগনেচার ব্রিজ৷ সেটাই এখন মানুষের কাছে বেশ আকর্ষণের৷ সেলফি তুলতে কাতারে কাতারে লোক ছুটছেন সেখানে৷ মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করবেন ৪ঠা নভেম্বর৷ রবিবার৷ পাঁচ তারিখ সোমবার থেকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে ব্রিজ৷ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে থাকছে ঝাঁ চকচকে লেজার শো৷

নয়াদিল্লির সিগনেচার ব্রিজ অপ্রতিসম মোটা তারের দিয়ে বাঁধা৷ এটি ভারতে প্রথম অপ্রতিসম কেবল কারে বাঁধা ব্রিজ৷ রয়েছে কাঁচের ডেস্ক৷ সেখান থেকেই পুরো শহরের প্যানোরামিক ভিউ মিলবে৷ ব্রিজের উপর দিয়ে বিরাট স্কাই লাইন দেখতে পাবে আম জনতা৷

যমুনা নদীর উপর তৈরি হয়েছে এই ব্রিজ৷ সিগনেচার ব্রিজের ফলে উত্তর ও উত্তর-পূর্বের দূরত্ব বেশ খানিকটা কমে যেতে চলেছে৷ এর আগে ওয়াজিরাবাদ ব্রিজের উপর গাড়ির যে প্রবল চাপ চলছিল তাও বেশ খানিকটা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে৷ গাড়ির চাপ অনেকটাই ভাগ হয়ে যাবে এই ব্রজ চালু হওয়ার পর৷

যাতায়াতের সময় কমানো ও গন্তব্যে যাত্রীদের তাড়াতাড়ি পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি এটি সাধারণ মানুষের জন্য পর্যটন কেন্দ্রও হতে চলেছে৷ ১৫৪ ফুট উঁচু কাঁচের থাকছে ট্যুরিস্টদের জন্য৷ সেখান থেকেই গোটা শহরকে চাক্ষুষ করতে পারবেন তাঁরা৷ নিতে পারবেন দুরন্ত সেলফি৷ পাখির চোখে শহর দেখবেন মাটিতে বাস করা আম জনতা৷ তবে ডেকটি খোলা হবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে৷

ডেকে পৌঁছে দিতে থাকবে চারটি লিফট৷ এক একটিতে ৫০ জন করে উঠতে পারবেন একবারে৷ মাত্র দুমাসের মধ্যেই খুলে দেওয়া হবে সেটিকে৷ সাধারণ মানুষ এখন হাজার কাজের ফাঁকেও মজে আছেন সেলপিতে৷ কার ব্যাকগ্রাউন্ড কত ভাল কত আকর্ষণীয় সে নিয়ে চলতে থাকে অলিখিত প্রতিযোগিতা৷ তা মাথায় রেখেই ৫৭৫ মিটার লম্বা সিগনেচার ব্রিজটিকে সেলফির জন্য উপযুক্ত করেই তৈরি করা হয়েছে৷ যাতে মানুষ এখানে বেড়াতে এসে প্যানোরামিক ভিউ দেখার পাশাপাশি অসাধারণ ব্যাকগ্রাউন্ডে নিজেকে নিজস্বীতে বেঁধে বাড়ি ফিরতে পারেন৷

এই ব্রিজ হওয়ার কথা ঘোষণা হয় ২০০৪ সালে৷ ২০১১ পর্যন্ত বহুবার এটির চালু হওয়ার দিন পিছিয়ে যায়৷ অবশেষে ৪ঠা নবেম্বর খুলে দেওয়া হচ্ছে ব্রিজ৷ নয়াদিল্লির ‘মোস্ট পপুলার সেলফি জোন’ হতে চলেছে নয়া দিল্লির সিগনেচার ব্রিজ৷

Reply