তাইওয়ানকে আরও শক্তিশালী করতে বিপুল সংখ্যক ফাইটার জেট দিচ্ছে আমেরিকা, ঘুম উড়বে ড্রাগনের

আমেরিকা আর চীনের মধ্যে চলা উ’ত্তে’জ’নার পারদ বেড়েই চলেছে। আর এরমধ্যেই আমেরিকা চীনের প্রতিবেশী দেশ তাইওয়ানকে ৬৬ টি ল’ড়া’কু বিমান দিতে চলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাইওয়ান আমেরিকার কোম্পানির সাথে ৬৬ টি লড়াকু বিমানের চুক্তির জন্য স্বাক্ষর করেছে। শোনা যাচ্ছে যে, চীনকে চাপে রাখতে আমেরিকা আর তাইওয়ান এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

আমেরিকার থেকে কেনা নতুন বিমান গুলো তিন দশক আগে কেনা ল’ড়াকু বিমানের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হবে। তাইওয়ানের পাশে পুরনো ১৫০ টি এফ-১৬ বিমান আছে। আমেরিকার তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জর্জ বুশের সময় এই চুক্তি হয়েছিল। এবার তাইওয়ান নতুন প্রযুক্তির সাথে নতুন লড়াকু বিমান কিনবে। যদিও চীন এই চুক্তির বি’রোধিতা করতে পারে। কারণ চীন সবসময় তাইওয়ানকে নিজের অংশ বলেই দাবি করে আসে।

তাজা চুক্তির সাথে যুক্ত যোজনা শুক্রবার ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১৯ এ এই চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। এবার এই চুক্তি ২০২৬ এর মধ্যে সম্পূর্ণ হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, আমেরিকা তাইওয়ানকে নতুন এবং আরও শক্তিশালী ৯০ টি ল’ড়াকু জেট বিক্রি করবে। তাইওয়ানের সাথে চীনের বেড়ে চলা বিবাদের কারণেই তাইওয়ান এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

গত বছর চীনের বিদেশ মন্ত্রালয় ওয়াশিংটনের কাছে তাইওয়ানকে ল’ড়াকু বিমান না বিক্রি করার সাথে সাথে ভবিষ্যতে তাইওয়ানের সাথে কোনরকম সামরিক চুক্তি না করার আবেদন করেছিল। বেজিং এই নিয়ে ওয়াশিংটনকে হু’মকিও দিয়েছিল। চীন লাগাতার তাইওয়ানকে নিজের অংশ বলে রক্ত চক্ষু দেখিয়ে আসে। কিছুদিন আগেই চীন তাঁদের ফা’ইটার জেট তাইওয়ান সীমান্তে পাঠিয়েছিল, কিন্তু তাইওয়ানের বায়ুসেনার তাড়া খেয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

Reply