মুসলিম দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্ক, ঘুম ছুটেছে পাকিস্তানের : সূত্র

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বরাবারই ভালো সম্পর্ক আন্তর্জাতিক মহলের। সেই প্রেক্ষিতেই আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের দাবি এই সুসম্পর্ক পাকিস্তানের রক্তচাপ বাড়াচ্ছে। কারণ হিসেব বলছে মুসলিম রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে বেশ ভালো সম্পর্ক রয়েছে ভারতের।

আর এই ফ্যাক্টরটাই হজম হচ্ছে না ইসলামাবাদের। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের বিদেশ নীতি এখন মুসলিম দেশগুলোর প্রতি বেশ সহানুভূতিশীল। মোদীর উপস্থিতিতে একাধিক চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে মুসলিম দেশগুলির সাথে নয়াদিল্লি। ফলে বেশ কিছুটা কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে পাকিস্তান।এখনও পর্যন্ত ছটি মুসলিম দেশ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে সম্মানিত করেছে।

২০১৬ সালে সৌদি আরব এই সম্মান দেয় মোদীকে। ২০১৬ সালেই মোদীকে সম্মান দেয় আফগানিস্তান। তারপর ২০১৮ সালে প্যালেস্তাইনের তরফ থেকে সর্বোচ্চ সম্মান পান মোদী। ২০১৯ সালে একে একে সংযুক্ত আরব আমীরশাহী, বাহরিন, মালদ্বীপ মোদীকে সম্মানিত করে। এই পরিস্থিতিতে বেশ চাপে পাকিস্তান।

ইতিমধ্যেই কাশ্মীর ইস্যুতে কূটনৈতিক চাপ রয়েছে পাকিস্তান-সৌদি আরবের মধ্যে। সেই চাপ কিছুটা থিতু করতে উপসাগরীয় দেশে সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান। তবে বিশেষ লাভ হবে না বলেই দারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের।

কারণ সৌদি আরবের ইসলামিক কনফারন্সের বিরোধিতা করে মন্তব্য করেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি। কাশ্মীর ইস্যুতে নিষ্ক্রিয়তার প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। এই পরেই দুই দেশের সম্পর্ক ভীষণভাবে প্রভাবিত হয়। কিছুদিন আগে কাশ্মীর ইস্যুতে সৌদি আরবের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে পাকিস্তান।

ভারতের বিরুদ্ধে এক জোট হতে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কোঅপারেশন বা ওআইসি-কে আবেদন জানায় পাকিস্তান। তবে বলাই বাহুল্য ওআইসি এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি।

পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি সৌদি আরবকে সতর্ক করে বলেন, যদি সৌদি এই প্রস্তাবে রাজি না হয়, তবে ওআইসির আলাদা বৈঠক ডাকবে পাকিস্তান ও পাক বন্ধু রাষ্ট্রগুলিকে নিয়ে দল গঠন করা হবে। এই সতর্কতায় বেশ ক্ষুব্ধ সৌদি আরব কুয়ালালামপুর সামিট থেকে বাদ দেয় পাকিস্তানকে।

Reply