এক নজরে আয়কর রিটার্ন ফাইলের জন্য প্রয়োজনীয় নথি

আয়কর রিটার্ন করার সময় আয়করদাতার বেশ কয়েকটি নথি প্রয়োজন হয়। এমনকি যদি কোন ব্যক্তির আয় বা বেতন আয়কর দেওয়ার মতো অবস্থায় না থাকলেও আয়কর রিটার্ন ফাইল করা উচিত। কারণ আয়কর রিটার্ন করা থাকলে সেটা একটি প্রয়োজনীয় নথি যা ‌ হোম লোন অথবা কার লোন ইত্যাদি নানা ক্ষেত্রে আবেদনের সময় এটার প্রয়োজন হয়।

তবে আয়কর রিটার্ন ফাইল করতে গেলে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। আপাতত রিটার্ন ফাইল করার জন্য হাতে কিছুটা সময় থাকলেও সেইসব প্রয়োজনীয় নথি এখন জোগাড় করা রাখা উচিত যাতে ফাইল করার সময় কোনরকম অসুবিধায় পড়তে না হয়। এবার দেখে নেওয়া যাক সেজন্য কোন কোন নথি প্রয়োজন।

১) Form16 । সকল বেতন ভোগী (salaried) ব্যক্তির জন্য Form 16 খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট আয়কর রিটার্নের জন্য। এই ডকুমেন্ট কোন কর্মীকে তার সংস্থার মালিক বা কর্তৃপক্ষ ইস্যু করে। সংস্থা মালিক বা কর্তৃপক্ষ সেই সব কর্মীদের যাদের কর কেটেছে তাদের এই নথি দেওয়াটা বাধ্যতামূলক। এটা এক ধরনের আয়ের উৎস থেকে কর কাটার সার্টিফিকেট তাছাড়া ওই ব্যক্তির বেতন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া থাকে। এখন এই Form16 এর দুটি অংশ থাকে Part A & Part B । তারমধ্যে Part A তে থাকে সংস্থার মালিক বা কর্তৃপক্ষ এই অর্থবর্ষে ওই কর্মীর থেকে কতটা আয়কর কেটেছে সেই তথ্য। তাছাড়া মালিকও কর্তৃপক্ষের প্যান ট্যান ইত্যাদি তাতে থাকে। Part B অংশে থাকে কর্মীর বেতন সম্পর্কে তথ্য।

২) সুদ বাবদ আয়ের সার্টিফিকেট। বেতন ছাড়াও কোন ব্যক্তি বিভিন্ন প্রকল্প থেকে সুদ পায় যেমন-সেভিংস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট , স্থায়ী আমানত, ডাকঘরে ডিপোজিট স্কিম ইত্যাদি। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের কাছ থেকে এই সংক্রান্ত সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে ব্যাংক পোস্ট অফিস থেকে পাওয়া সুদের ক্ষেত্রে ১০,০০০ টাকা ছাড় মেলে ।

৩) আয়কর ছাড়ের জন্য বেশকিছু বিনিয়োগ করা হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি যদি কর ছাড়ের যেসব নথি বা তথ্য তার মালিককে দিয়েছে সেগুলি প্রমাণ স্বরূপ আয়কর দপ্তরের কাছে জমা দিতে হবে‌ ছাড় পেতে প্রমাণ স্বরূপ। যেমন ধরুন এলআইসি প্রিমিয়াম রিসিট, পিপিএফ পাসবুক, বা কোনরকম ডোনেশন ইত্যাদি।

Reply