জমজমাট একুশের লড়াই! শুধু মাদারেই নয়, এবার গেরুয়া শিবিরের যুব শাখাতেও বড়সড় ভাঙন ধরালো তৃণমূল

লোকসভা নির্বাচনের পর যে উত্তরবঙ্গ থেকে তৃণমূলকে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে হয়েছিল, একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সেই উত্তরবঙ্গেই আবার তৃণমূল ফিরে আসার চেষ্টায় বিভিন্ন র’ণকৌশল প্রয়োগ করতে শুরু করেছে বলে জানা যাচ্ছে। নিজেদের ঘর গোছানোর সাথে সাথে এবার শুরু হয়েছে অন্যের ঘরে ভাঙন ধরানোর কাজ। তৃণমূলের পক্ষ থেকে যেভাবে গেরুয়া শিবিরে ভাঙন ধরানোর কাজ চলছে রাজ্যজুড়ে ঠিক সেভাবেই এবার তৃণমূলের যুব সংগঠনও বিজেপির যুব মোর্চার সংগঠনে ব্যাপক আকারে ভাঙন ধরাচ্ছে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন এলাকায় বলে শোনা যাচ্ছে।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিবর্তনের সাথে সাথে তৃণমূলের যুব সংগঠনেরও ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। আর সেই সূত্রে এবার কোচবিহার জেলার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদ এসেছেন অভিজিৎ দে ভৌমিক। নতুন সভাপতির দায়িত্ব নিয়েই এবার সংগঠনকে নতুনভাবে তৈরি করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন জেলা সভাপতি বলে জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার কোচবিহার উত্তর বিধানসভা এলাকার খাপাইডাঙা অঞ্চলে প্রায় 100 যুব বিজেপি সমর্থক তৃণমূল যুব কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, গত সোমবার কোচবিহারের টাকাগছে এলাকা থেকেও প্রায় 100 যুব বিজেপি মোর্চার সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আর এ ব্যাপারে সত্যতা দাবি করছেন কোচবিহার জেলার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক স্বয়ং। মঙ্গলবার তিনি জানিয়েছেন, দুদিনে প্রায় দু’শ যুব বিজেপি মোর্চা কর্মী তৃণমূলের যুব সংগঠনে যোগ দিয়েছেন। দলবদলকারীদের মধ্যে বেশকিছু যুব সংগঠনের নেতাও রয়েছেন বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে অবশ্য এ ব্যাপারটি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন কোচবিহার জেলার বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সমীর রায়। পাল্টা তিনি তৃণমূলের দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে বর্ণনা করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদার তৃণমূলের সাথে সাথে যুব তৃণমূল যেভাবে দাবি করছে, গেরুয়া যুব সংগঠনে ভাঙন ধরানোর তা যদি সত্যি হয়, তাহলে কিন্তু গেরুয়া শিবিরের বিপাকে পড়া কেউ আটকাতে পারবেনা। তবে গেরুয়া শিবির দলবদলের ব্যাপারটি পুরোপুরি অস্বীকার করায় এব্যাপারে এখন সন্দেহ করছেন রাজনৈতিক মহলের কেউ কেউ।

Reply