চিনকে শায়েস্ত করতে ভারতের ‘ব্রহ্মাস্ত্রের’ উপরেই ভরসা ভিয়েতনামের, জানুন বিধ্বংসী এই মি’সা’ই’ল সম্পর্কে

চিনের সঙ্গে ভিয়েতনামের সম্পর্ক মোটেই ভালো না। এই অবস্থায় ভারতের সবচেয়ে বিপজ্জনক ক্ষে-প-ণা-স্ত্র কিনতে চাইল ভিয়েতনাম। এক্ষেত্রে রাশিয়ার অনুমতির প্রয়োজন ছিল। কারণ রাশিয়া ও ভারত একত্রে এই মিসাইল তৈরি করেছে। তবে এবার অনুমতি মিলেছে রাশিয়ারও। ফলে ভারতের থেকে এই মি’সা’ই’ল কিনতে আর বাধা রইল না ভিয়েতনামের। যদি ভারতের এই দুর্দান্ত মি’সা’ই’ল ভিয়েতনামে মোতায়েন হয়, তবে নিঃসন্দেহে দক্ষিণ চিন সাগরে কিছুটা হলেও স’তর্ক থাকতে হবে বেজিং প্রশাসনকে।

পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগামী ক্রুজ মি’সা’ই’ল এখন ভারতের সশ-স্ত্র বাহিনীর হাতে। ব্রহ্মস— ভারত ও রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই ক্রুজ মি’সা’ই’লে’র গতি চিন্তায় রাখছে ন্যাটো বাহিনীকেও। এমন সাংঘাতিক বেগে টার্গেটের দিকে ছুটে যায় ব্রহ্মস যে রেডার তার আভাস মিললেও ব্রহ্মসকে মাঝ পথে রুখে দেওয়া কঠিন। ইরাক এবং আফগানিস্তানের যু-দ্ধক্ষেত্রে আগুন ঝরিয়েছে যে মার্কিন ক্রুজ ক্ষে-প-ণা-স্ত্র, সেই টোমাহক মিসা’ই’লকেও গতিবেগে বহু পিছনে ফেলে দিয়েছে ব্রহ্মস।

এই ব্রহ্মস ক্ষে-প-ণা-স্ত্র-কেই এবার নিজেদের সুরক্ষার জন্য চাইল ভিয়েতনাম। সম্প্রতি রাশিয়া এই মি’সা’ই’ল’টিকে তৃতীয় কোনও দেশকে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।

ব্রহ্মস মি’সা’ই’ল প্রোজেক্টে রাশিয়াও ৫০ শতাংশ অংশীদার ছিল, সুতরাং এই ক্ষে-প-ণা-স্ত্র রফতানির জন্য রাশিয়ার অনুমতি প্রয়োজন ছিল। এমন সময়ে এই অনুমতি এসেছে, যখন ভিয়েতনাম ব্রহ্মস কেনার ব্যাপার আগ্রহ প্রকাশ করছে।

Reply