গান্ধিজির “ব্যবহার” করা চশমা! নিলামে বিক্রি হলো ২ লক্ষ ৬০ হাজার পাউন্ডে

এই চশমাগুলোর যে আসল মালিক, তাঁরা ১৯১০-১৯৩০-এর মধ্যে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মরত ছিলেন

সোনা খোদাই করা একজোড়া চশমার নিলামে রেকর্ড দর উঠল। প্রায় দু’লক্ষ ষাট হাজার পাউন্ডে কেনা হয়েছে সেই চশমা জোড়া। প্রচলিত আছে গান্ধিজি এই চশমা দু’টি ব্যবহার করতেন। পরবর্তীকালে উপহার হিসেবে ঘনিষ্ঠ একজনকে দিয়েছিলেন তিনি। এই প্রচলিত ধারাতাই রেকর্ড টাকা কামিয়েছে সেই জোড়া চশমা। দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের ইস্ট ব্রিস্টল অপশন হাউস হানামে এই নিলাম একমাস আগে আয়োজন করেছিল। দশ হাজার পাউন্ড থেকে ১৫ হাজার পাউন্ড সর্বনিম্ন দর রাখা হয়েছিল। সেই দর টপকে প্রায় ছয় অঙ্কের টাকায় কেনা হয়েছে সেই চশমা।এমন পুরাতন সামগ্রির এত অভাবনীয় দাম দেখে সত্যি বিস্মিত। নিলাম শেষে এ কথাই জানান আয়োজক অ্যান্ডি স্টোয়ি। শুক্রবার সরকারি ভাবে এই নিলাম প্রক্রিয়া বন্ধ হয়েছে।

তিনি বলেছেন, “এই চশমাগুলো শুধু রামের নিরিখে নয়, ঐতিহাসিক গুরুত্বের নিরিখেও অকল্পনীয়। যখন আমরা এটাকে নিলামে তুলি, তখনও ভাবতে পারিনি এতটা সাড়া পাবো।”

এই সামগ্রীর চূড়ান্ত দর শুনে তো আসল মালিকের চেয়ার থেকে পড়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। এমন তথ্যও সংবাদমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন স্টোয়ি। জানা গিয়েছে, সাউথ গ্লুকোস্টেশায়ারের এক বৃদ্ধ এই চশমার মালিক। তাঁর মেয়ের সঙ্গে যৌথ ভাবে এই নিলাম অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

এই চশমার পিছনে প্রচলিত গল্প, এই চশমাগুলোর যে আসল মালিক, তাঁরা ১৯১০-১৯৩০-এর মধ্যে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মরত ছিলেন। সে সময় কোনও ভাবে তাঁরা গান্ধিজির সংস্পর্শে আসেন। এবং তাঁর ব্যবহৃত চশমা উপহার পান।

তথ্যসূত্রঃ NDTV

Reply