সীমান্ত থেকে সে’না সরাক ভারত, প্রায় যু-দ্ধে-র হু’ম’কি চিনের

চোরের মায়ের বড় গলা বোধহয় একেই বলে। একদিকে ক্রমশ দখলদারি মনোভাবের প্রদর্শন, অন্যদিকে ভারতকেই সীমান্ত থেকে সে’না সরানোর জন্য চাপ দেওয়া। একই সঙ্গে দুরকম ভিন্ন মেরুর কাজ করে চলেছে চিন। গালওয়ানের পর ৩০ তারিখ রাতে ফের প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে আ’গ্রা’সী চিনা সে’না এগিয়ে আসে ভারতীয় ভূখন্ডের দিকে।

তখনই তাদের আটকায় ভারতীয় সে’না। উচিত জবাব দিয়ে ফিরিয়ে দেয় চিনা সে’নাকে। তবে তাতেও শিক্ষা হয়নি বেজিংয়ের। সোমবার চিনা বিদেশমন্ত্রক ৩০ তারিখ রাতের ঘটনা অস্বীকার করে পরিষ্কার জানিয়ে দেয় চিনা সে’না প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরোয়নি। এরপরেই কার্যত যু-দ্ধে-র হু’ম’কি দেয় চিন। বেজিংয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, সীমান্ত থেকে সে’না না সরালে বড়সড় সং’ঘা’তে’র জন্য যেন তৈরি থাকে ভারত।

সোমবার চিনের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়াং বলেন, ভারত কিসের ভিত্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করেছে, জানা নেই। তবে প্যাংগং লেক এলাকায় চিনা সে’নার অবস্থানের বদল হয়নি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরোয়নি চিনা সে’না। প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্তে কোনও সং’ঘ’র্ষে’র ঘটনাও ঘটেনি।

দুই দেশের সে’না স্তরে আলোচনা চলছে বলে জানিয়ে লিজিয়াং বলেন চিন এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে না। লাদাখে শান্তি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে দায়বদ্ধ চিনা সে’না। তাই কোনও অনুপ্রবেশের ঘটনা চিনা সে’নার পক্ষ থেকে ঘটেনি। এদিকে, সোমবার এই ইস্যুতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে ভারতীয় সে’না। পরিস্থিতি যাতে নতুন করে উ’ত্ত’প্ত না হয়ে ওঠে, সেজন্য চুশুলে ভারতীয় ও চিনা ব্রি’গে’ড কমান্ডার স্তরের বৈঠক শুরু হয়েছে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর প্যাংগং লেকে সুযোগ বুঝে এগিয়ে এসেছিল চিনা সে’না। জবাব দিয়েছে ভারতীয় সে’নাও। কোনওভাবেই চিনা সে’নার দখলদারি মেনে নেওয়া হবে বলে এদিন জানিয়ে দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্যাংগং লেকের দক্ষিণ প্রান্তে এই হা’তা’হা’তি’র ঘটনা ঘটে। তবে পরিস্থিতি কিছুক্ষণের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তথ্যসূত্র : kolkata24x7

Reply