সীমান্তে বিপজ্জনক দূরত্বে দাঁড়িয়ে আছে ভারত ও চিনের ট্যাংক

প্যাংগং লেকের ধারে উত্তেজনা প্রশমিত হয়নি এখনও। নতুন করে উত্তাপ তৈরি হয়েছে। সীমান্ত থেকে রাজধানী দিল্লি, চলছে দফায় দফায় বৈঠক।

সূত্রের খবর, দুই দেশ লাইন অর্ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে মোতায়েন করেছে ট্যাংক। একদিকে যখন মঙ্গলবার ভারত ও চিনের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক চলছে, তখন বিপজ্জনক দূরত্বে দাঁড়িয়ে রয়েছে দুই দেশের ট্যাংক।

পাহাড়ি এলাকা কালা টপের কাছেই ট্যাংক বসিয়ে রেখেছে চিন। ভারতের অধিকারেই রয়েছে সেই কালা টপ। তাই সেই অঞ্চলে ট্যাংক বসিয়ে রাখায় বাড়ছে উত্তেজনার পারদ। ওই এলাকায় চিন হালকা ও ভারী দু’ধরনের ট্যাংকই বসিয়ে রেখেছে।

কালা টপে ভারতীয় সেনাও তৈরি রেখেছে যুদ্ধের সাজ সরঞ্জাম। চিনের ট্যাংক যাতে এগোতে না পারে, তার সবরকম বন্দোবস্ত রেখেছে ভারত।

২৯ ও ৩০ তারিখের মধ্যবর্তী রাতে আচমকাই ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লাদাখ সীমান্ত। দাবি করা হচ্ছে, চিনা সেনা সীমান্ত লঙ্ঘন করার চেষ্টা করে। যদিও ভারতীয় বাহিনী তাঁদের সে চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই জে -২০ ফিফথ জেনারেশনের যুদ্ধবিমানকে সীমান্তে মোতায়েন করেছে চিন।

সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, জে -২০ যুদ্ধবিমানকে হোতান বিমান ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। যুদ্ধবিমানকে লাদাখ ও তার আশেপাশের এলাকাতেও উড়তে দেখা গিয়েছে। এই বোমারু বিমান মোতায়েনের কাজ এখনও চিনা সেনা অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গিয়েছে।

ভারতের হাতে পাঁচটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান আসার পর সেগুলি চালনা শুরু করতেই চিন তাঁদের সবচেয়ে আধুনিক ও সর্বাধিক সক্ষম যুদ্ধবিমানকে পুনরায় লাদাখ সীমান্তে মোতায়েন করে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভারতীয় বায়ুসেনা হাতে পেয়েছে পাঁচটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান। মনে করা হচ্ছে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে আরও কয়েকটি রাফায়েল জেট হাতে পাবে ভারত।

Reply