Wednesday , July 28 2021
Breaking News

রাম মন্দিরের ঘণ্টা তৈরি করতে একসঙ্গে কাজ করছেন হিন্দু ও মুসলিম কারিগরেরা

গত ৩০ বছর ধরে বিভিন্ন আকার, আকৃতির ঘণ্টা বানিয়ে আসছেন দাউ দয়াল। তবে অযোধ্যার রাম মন্দিরের ঘণ্টার বরাত পাওয়া অভাবনীয় তো বটেই। উত্তরপ্রদেশের জলেশ্বর শহরে দাউ দয়ালের তত্ত্বাবধানেই তৈরি হচ্ছে রাম মন্দিরের ২১০০ কেজির ঘণ্টা।

রাম মন্দিরের ঘণ্টার নকশা তৈরি করেছেন ইকবাল মিস্ত্রী। ধর্মের দিক থেকে তিনি মুসলিম।

৪ পুরুষ ধরে ঘণ্টা তৈরির কাজ করে আসছেন দয়াল। তিনি জানান, ‘আমাদের মুসলিম ভাইয়েরা নকশা ও পালিশ করতে খুবই পটু। তবে এত বড় ও ভারি ঘণ্টা তৈরির কাজ এই প্রথম করছেন তাঁরা।’ দয়াল বলেন, ‘ভারি ঘণ্টা তৈরি করার ক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতা থাকে। কয়েক মাসের কাজে একটুও ভুল হলে ওজন বা অন্যান্য সমস্যাও হতে পারে। তবে রাম মন্দিরের ঘণ্টা আমরা তৈরি করছি এই বিষয়ে আমরা খুব উত্তেজিত।’

কারিগরেরা জানান, ধাতু গলানো ও ঢালার সময় সামান্য দেরি হলে বা সঠিক সময়ে এর আকৃতি না দেওয়া হলে ভুল হয়ে যেতে পারে কাজে। যেহেতু এই ঘণ্টা ভাগে ভাগে তৈরি করার কোনও সুযোগ নেই, তাই একেবারে গোটা ঘণ্টাটাকে আকার দিতে হয়। রাম মন্দিরের এই ঘণ্টা অষ্টধাতু দিয়ে তৈরি হচ্ছে। সোনা, রুপো, তামা, দস্তা, সীসা, টিন, লোহা ও পারদ, এই ৮ ধাতুর সংমিশ্রণেই গড়ে উঠবে রাম মন্দিরের বিশাল ঘন্টা।

জলেশ্বরের ইটা জেলার পৌরপ্রধান বিকাশ মিত্তল বলেন, ‘এই ঘণ্টা তৈরির বরাত তাঁরা গত নভেম্বর মাসে পান। অষ্টধাতুর তৈরি এই ঘণ্টা তৈরি করতে খরচ হয়েছে ২১ লক্ষ টাকা। চার মাস ধরে তৈরি হয়েছে এই ঘন্টা। তবে অযোধ্যা যাওয়ার আগে ফাইনাল টাচ দেওয়া বাকি।’

মোট ২৫ জন কর্মী গত ৪ মাস ধরে দিনে ৮ ঘন্টা ধরে কাজ করেছেন এইটি তৈরি করার জন্য। এর আগে কেদারনাথ মন্দিরের জন্য ১০১ কেজির ঘণ্টা তৈরি করেছেন দাউ দয়াল।

About M..

Check Also

গো-সুরক্ষায় নয়া বিল অসমে।

হিন্দু, শিখ এলাকা ও মন্দিরের ৫ কিলোমিটারের মধ্যে গোমাংস বিক্রি নয়, নয়া বিল অসমে

গো-সুরক্ষায় এ বার নয়া বিল পেশ হল অসম বিধানসভায়, যাতে মন্দির চত্বরের ৫ কিলোমিটারর মধ্যে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *