ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহার করেই ভয়ানক পঙ্গপালের দলকে ফেরত পাঠানো গেছে। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে মন্তব্য মোদীর।

কৃষিপ্রধান ভারতের প্রধান ভরসাই কৃষিকাজ। দেশের অগ্রগতির পথ‌ও সুগম করে চাষাবাদ। আর সেই কৃষির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞানের অগ্রগতির হাত ধরেই এগোচ্ছে দেশীয় কৃষি। আজ অর্থাৎ শনিবার অনলাইনে রানি লক্ষ্মীবাঈ কেন্দ্রীয় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (Rani Lakshmi Bai Central Agricultural University) নতুন ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। (Narendra Modi)। সেই ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানেই চাষের উন্নতিতে বিজ্ঞানের অবদানের কথা তুলে ধরেন তিনি।

আজকে অনলাইনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমার(Narendra Sing Tomar) এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ‌ও(Yogi Adityanath)। সেই অনুষ্ঠান থেকেই স্কুলপাঠ্যে কৃষির বিভিন্ন বিষয় অন্তর্গত করার প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “কৃষিকাজকে শুধুমাত্র পাঠ্যবইয়ের ছাপার অক্ষরে আবদ্ধ করে রাখা উচিত নয়। বরং স্কুলজীবন থেকে ছাত্রছাত্রীদের এ নিয়ে হাতেকলমে কাজ করতে শেখানো দরকার।”

কৃষিপ্রধান ভারতের সময় যত এগোচ্ছে ততই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে ভারতের কৃষিব্যবস্থা। সেই চ্যালেঞ্জ পার করতে প্রয়োজন আধুনিক পদ্ধতি। এদিন প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে দেশে পঙ্গপালের (Locust) হানা ও তাঁর ফলে কৃষিকাজ কতটা ক্ষতি হয়েছে, তার খতিয়ান তুলে ধরেন। এই প্রসঙ্গে নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে পঙ্গপাল হানায় বিশেষ ক্ষতি হয়নি। কারণ, সরকারের তরফে ড্রোন-হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ক্ষতিকারক পতঙ্গের দলকে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে।” আর এরফলেই বিশাল ক্ষতির হাত থেকে বেঁচেছে ভারত।

প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য লকডাউন চলাকালীন ভারতবর্ষে পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে আসা পঙ্গপালের হানায় বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ভারতীয় কৃষি। নষ্ট হয়ে গিয়েছিল প্রচুর ফসল। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ‌ও কম ছিল না।

Reply