ভোট এভিএমে হোক বা ব্যালটে একুশের বিধানসভা ভোটে হারতে চলেছে তৃণমূল, দাবি দিলীপ ঘোষের

“বাংলা বাঁচাও, গণতন্ত্র বাঁচাও”, কর্মসূচি পালন করল বঙ্গ বিজেপি। সেই কারণেই কলকাতার জনসভা থেকে তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। হেরে যাওয়ার ভয়ে নাকি ভোট গ্রহণ করতে চাইছে না তৃণমূল কংগ্রেস, দাবি দিলীপ ঘোষের।

কিন্তু যদি ভোট হয় ইভিএম কিংবা ব্যালট তৃণমূল কংগ্রেস হারবে বলে জানালেন দিলীপ। রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু অবশিষ্ট আছে বলেও মনে করেন না বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিন সারা রাজ্য জুড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে বাংলায় গণতন্ত্র বাঁচানোর প্রচেষ্টায় মিটিং, মিছিল, সভা, ডেপুটেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, ৮০ টি জায়গায় মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।দলের সাংসদরা ও নিজেদের এলাকায় বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন বলেও জানানো হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে।

কলকাতায় এদিনের অনুষ্ঠানটি হয়েছিল মেয় রোডে। সেখান দিলীপ ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা তথা রাজ্যের পর্যবেক্ষককৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, রাহুল সিনহা। কৈলাশ থেকে দিলীপ সকলেই এদিন রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে অভিযোগ তোলেন।

এদিনের মঞ্চ থেকে দিলীপ ঘোষ বলেন,”বিজেপিকে আটকাতে শাসক দল প্রশাসনকে ব্যবহার করে যা খুশি করছে। সিপিএম আমলে বিরোধীদের আটকাতে যা যা করা হয়েছে সবই করছে তৃণমূল। বিজেপি নেতাদের মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে। প্রতিদিন রাজনৈতিক তামাশা হামলা লেগে রয়েছে। সর্বত্র স’ন্ত্রাস চলছে।”

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চান ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট হোক। এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন,”বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে গলা টিপে খুন করেছে। এখন হারার ভয়ে ভোটে যেতে চাইছে না।

কিন্তু ইভিএম হোক বা ব্যালট, যে ভাবেই ভোট হোক তৃণমূলকে আমরা হারাব।” অন্যদিকে মুকুল রায় নিজেও মনে করেন যে একুশের বিধানসভা ভোটে জিতবে বিজেপি। শাসক দল থেকে শুরু করে পুলিশ প্রশাসন যাই করুক না কেন একুশে বিজেপিকে বাংলায় আসার থেকে আটকাতে পারবেনা কেউ।

Reply