“সিঙ্ঘম হতে যাবেন না”, পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বললেন প্রধানমন্ত্রী

রিল লাইফের সিঙ্ঘম আমাদের সকলেরই খুব পছন্দের। কারো কাছে আবার অনুপ্রেরণাও। তবে রিল লাইফ আর রিয়েল লাইফের মধ্যে অনেক তফাৎ থাকে, তা সকলের বোঝা উচিত। সেটাই এবার স্পষ্ট করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শুক্রবার সর্দার বল্লভভাই পটেল পুলিশ অ্যাকাডেমিতে ২০১৮-র ব্যাচের আইপিএস-দের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মতে, রিয়েল লাইফের সিঙ্ঘম কে দেখে রিয়েল লাইফের সিঙ্ঘম হতে যাবেন না তাতে ক্ষতি আপনারই।

এদিন তিনি বলেন,”এমন অনেক পুলিশ আধিকারিক আছেন যাঁরা প্রথম দিকে ‘সিঙ্ঘম’-এর মতো হাবভাব করেন, কিন্তু তা করতে গিয়ে পুলিশের যে মূল লক্ষ্য তা থেকেই বিচ্যুত হন।” কিন্তু তাদের এই ধরনের আচরণ ঠিক নয় বলেই দাবি প্রধানমন্ত্রীর।

আইপিএস অফিসার দের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সতর্কবার্তা এই যে,”অন্যায় কাজকে প্রশ্রয় দেবেন না। তাতে নিজেদেরই সমস্যা ডেকে আনবেন। কারণ এবার পুলিশেও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হচ্ছে। পুলিশ যাতে ভাল ভাবে কাজ করতে পারে, এই প্রযুক্তি তার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী”।

এরিন তার মুখ থেকে মহিলা পুলিশ আধিকারিকদের নামেও প্রশংসা বাক্য শোনা যায়। কাশ্মীরে কীভাবে মহিলা পুলিশ আধিকারিকরা জনসংযোগ বাড়াচ্ছেন, একের পর এক শিশুদের সঠিক পথে হাঁটতে শেখাচ্ছেন, সেখানকার মহিলাদের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটাচ্ছেন কিভাবে তাও তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

কাশ্মীরের কিভাবে ছোট ছোট শিশুদেরকে শিশু বেলা থেকেই প্রশিক্ষণ দিয়ে জ’ঙ্গিদলে জোর করে ঠেলে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে তাও ব্যাখ্যা করেন তিনি। তিনি বলেন,”আমাদের মহিলা পুলিশ বাহিনী কাশ্মীরে দারুণ কাজ করছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আপনারা যদি প্রাথমিক পর্যায়েই এমন ভাল কাজ করেন, তা হলে বহু শিশুকে সঠিক পথে নিয়ে আসা সম্ভব হবে।”

এদিকে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন,”কোনও অপরাধ নিয়ে তদন্ত করতে গেলে বা অপরাধীকে ধরতে গেলে আজকাল অনেক প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। তা সে সিসিটিভি ফুটেজ হোক বা মোবাইল ট্র্যাকিং। কিন্তু এই প্রযুক্তিই আবার অনেক পুলিশকর্মীর সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।”

যেকোনো প্রযুক্তিকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে হয় কিভাবে পুলিশকর্মীরা যেন সাধারণ মানুষকে শেখান,বলে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর। এই প্যানডেমিক পরিস্থিতিতে পুলিশ আধিকারিকরা কিভাবে প্রতিনিয়ত নিজেদের জী’বন বাজি রেখে একের পর এক কাজ করে চলেছেন সেকথাও তুলে আনেন তিনি।

Reply