শিক্ষা ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সরকারি হ’স্তক্ষেপ নয়, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

শিক্ষাক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত সরকারি প্রভাব চাইছে না কেন্দ্রীয় সরকার। শিক্ষানীতির প্রেক্ষিতে কথা বলতে গিয়ে এমনটাই মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নয়া শিক্ষানীতি বিষয়ে রাজ্যপাল দের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর দাবি, শিক্ষা নীতির ওপর সরকারি হস্তক্ষেপ সেভাবে জারি করতে চান না তিনি।

এদিনের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্র জাতীয় শিক্ষানীতিতে ন্যূনতম সরকারি হস্তক্ষেপ চায়। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০২০ শিক্ষার্থীদের ক্ষ’মতায়নের সহায়ক হবে, দেশের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের নয়া দিশা দেখাবে।”

কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক কর্তৃক আয়োজিত “উচ্চশিক্ষার সংস্কারে ২০২০-র জাতীয় শিক্ষানীতির ভূমিকা” সম্পর্কিত আলোচনায় ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশঙ্ক সহ বিভিন্ন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্য এবং শিক্ষা দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরাও বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্যপালের নিয়ে সংঘটিত বৈঠকে যোগদান করেন।

এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষানীতি এবং শিক্ষাব্যবস্থা দেশবাসীর প্রত্যা’শা পূরণের অন্যতম হা*তি’য়ার। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার, স্থানীয় নির্বাচিত সংস্থা সকলেরই শিক্ষাক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে।

তবে এ ক্ষেত্রে সরকারি হ’স্তক্ষেপ ন্যূনতম হওয়া প্রয়োজন। বিদেশ কিংবা প্রতির’ক্ষা নীতি কিন্তু নিছক সরকারি বিষয় নয়, রাষ্ট্রের বিষয়। শিক্ষানীতিও আসলে তেমনই।”

দেশের জনগণ শিক্ষা নীতি বিষয়ক সমস্ত কিছুতে হ’স্তক্ষেপ করুক, তারাই সিদ্ধান্ত নিক, এটাই চান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, শুধু লেখাপড়া নয়, নয়া জাতীয় শিক্ষানীতিতে ছাত্রছাত্রীদের চি’ন্তাশক্তি বৃদ্ধির বিষয়ে জোর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন শুধু লেখাপড়া হয় জাতীয় শিক্ষানীতির মাধ্যমে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে উপকৃত হবে পড়ুয়ারা। নয়া শিক্ষানীতি নিয়ে এদিনের আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক। এছাড়াও অসম, অন্ধ্রপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, বিহার-সহ একাধিক রাজ্যের রাজ্যপাল উপস্থিত ছিলেন এদিনের এই ভিডিও কনফারেন্সে।

Reply