চিন-পাকিস্তানের উপর নজরদারি বাড়াতে ইজরায়েলের ফ্যালকন এয়ারক্রাফট কিনছে ভারত

লাইন-অফ-অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলে চিনের সঙ্গে সং’ঘা’তে’র মাঝেই সীমান্তে নজরদারিতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কেন্দ্র। ইজরায়েল থেকে আরও দু’টি ফ্যালকন ‘এয়ারবোর্ন আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, ১ বিলিয়ন ডলার খরচে ইজরায়েল থেকে শক্তিশালী ফ্যালকন কিনছে ভারতের বায়ুসেনা। চলতি সপ্তাহেই নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটির বৈঠকে বড়সড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। চিনের ঔদ্ধত্য ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে বর্তমানে তিনটি ফ্যালকন রয়েছে। এই দুটি এলে মোট পাঁচটি পেয়ে প্রতিরক্ষাক্ষেত্রে আরও শক্তি বাড়াবে ভারতের বায়ুসেনা। রাশিয়ার তৈরি সামরিক পরিবহণ বিমানে আইএল-৭৬-এ বসানো এই ইজরায়েলি নজরদারি ব্যবস্থার কাজ হল, ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেটগুলিকে নিখুঁত ভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করা। পাশাপাশি, শত্রুপক্ষের বিমানবাহিনীর তৎপরতার উপর নজরদারির কাজও করতে পারে। বায়ুসেনা তাই একে বলে ‘আকাশের চোখ’।

দু’টি ফ্যালকনের পাশাপাশি সিসিএস আরও কিছু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার ছাড়পত্র দিতে পারে। মোট খরচ প্রায় ২০০ কোটি ডলার যা প্রায় ১৪,৭৬৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইজরায়েলি নজরদারি ব্যবস্থার জন্য আনুমানিক খরচ ১০০ কোটি ডলারেরও যা প্রায় ৭,৩৮৩ কোটি টাকার বেশি।

পাকিস্তানের বালাকোটে জঙ্গি শিবিরে হামলাকারী ১২টি মিরাজ-২০০০ ফাইটার জেটকে সফলভাবে চালনা করেছিল একটি ইজরায়েলি ‘অ্যাওয়াকস’। ইজরায়েলি অ্য়াওয়াকসের পাশাপাশি বায়ুসেনা প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার (ডিআরডিও) দেশীয় প্রযুক্তিতে বানানো দুটি আগাম ওয়ার্নিং অ্য়ান্ড কন্ট্রোল সিস্টেমও ব্যবহার করছে।

Reply