সীমান্ত যু’দ্ধ পরিস্থিতিতেও চিনা ব্যাংক থেকে ৯০০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার

একদিকে ক’রোনা মহামারী অন্যদিকে সীমান্ত বি’রোধ। ভারত-চীন সম্পর্কের ক্রমাগত অবনতি ঘটছে। সংসদে একটি লিখিত বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানান, এপ্রিল এবং জুন মাসের মধ্যে ভারত চীন বাণিজ্য ঘাটতি ৫৪৮ কোটি টাকা কমেছে।

চীনের ওপর ভারতের ডিজিটাল স্ট্রাইক, চীনা পণ্য সামগ্রী বয়’কট- এতোসব কিছুর মধ্যেই ভারত সরকার চীনে অবস্থিত এশিয়ান ইনফ্রস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক থেকে মোটা অঙ্কের ঋণ নিয়েছে বলে সংসদে জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর।

এদিন সংসদে অনুরাগ ঠাকুর জানান,”দেশের পরিকাঠামো খাতে উন্নয়নের জন্য চীনের এআইআইবি ব্যাংকের সঙ্গে দুটি ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ভারত সরকার। যার মধ্যে প্রথম চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ৮ মে। টাকার অংক ছিল ৩৬৭৬ কোটি।”

তিনি বলেন,”প্রথম খাতের এই ঋণের টাকা খরচ করা হয়েছে ক’রো’না মোকাবিলায় চিকিৎসা খাতে। এবং দ্বিতীয় চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৩ জুন। এই চুক্তিতে টাকার অংক ছিল ৫৫১৪ কোটি টাকা।” লক্ষ্য করলে দেখা যাবে দ্বিতীয় ঋণ নেওয়ার সময় ভারতের সঙ্গে চীনের দ্ব”ন্দ্ব যথেষ্ট গুরুতর অবস্থায় ছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের এমন ক্রিয়া-কলাপ কে কার্যতঃ সন্দেহের চোখে দেখছেন বিরোধীরা।

এআইআইবি ব্যাংক মূলত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা বলে দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের। বিভিন্ন দেশের আর্থিক সামাজিক পরিকাঠামোগত বিষয়ে সাহায্য করে থাকে এই ব্যাংক। ভারত নিজেও এই ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।

কিন্তু অস্বীকার করার উপায় নেই,এশিয়ান ইনফ্রস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের সদর দফতর বেজিংয়ে অবস্থিত। এই বিষয়ে পীযূষ গোয়েল বলেন,”দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পাল্লায় ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে মোদী সরকার নিরন্তর চেষ্টা করছে — চীনে ভারতীয় পণ্যের রফতানি বাড়ানোর পাশাপাশি চীন থেকে আমদানি কমানো।” তবুও কেন্দ্রীয় সরকারের এমন পদক্ষেপকে সন্দেহের চোখে দেখছেন বিরোধীরা।

Reply