বিজেপি করে খাওয়ার সুযোগ নেই ,তাইতো অনেকেই তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন, বললেন দিলিপ ঘোষ

বিজেপিতে থাকলে লু’টে খাওয়ার সুযোগ নেই, তাই অনেকে তৃণমূলের পথে হাঁটা দিয়েছেন এবার এমনটাই বি’স্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মহাশয়।বাংলার রাজ্য রাজনীতিতে সবচাইতে বিতর্কিত নাম হল দিলীপ ঘোষ। বর্তমানে সংসদীয় অধিবেশন বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে একাধিকবার খবরের শিরোনামে আসছেন তিনি।

গত বুধবার খড়গপুরে চার বিজেপি নেতার তৃণমূলে যোগদানে ফের এক বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে রংবদল চলছে দেদার। কে যে কোন পার্টি থেকে কোন পার্টিতে আসছে তার কোন হিসেব নেই।

ঝাঁকে ঝাঁকে লোক দল পরিবর্তন করতে ব্যস্ত। সম্প্রতি চার বিজেপি নেতা সরকারপক্ষের যোগদান করেছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করল এদিন মেদিনীপুরের সংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

গত বুধবার বিজেপির শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি শৈলেন্দ্র সিং, সাংসদ প্রতিনিধি কমিটির সদস্য রাজদীপ গুহ, খড়গপুর উত্তর মণ্ডলের সভাপতি অজয় চট্টোপাধ্যায় সহ আরও ৪ জন বিজেপি নেতা তৃণমূলে দলবদল করেন। তাদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেই ঘটনাটি বেজায় ক্ষুব্ধ দিলীপ বাবু। কড়া ভাষায় আক্রমণ করতে ছাড়লেন না তাদের।

সংসদীয় অধিবেশনের কারণে বর্তমানে দিল্লিতে রয়েছেন দিলীপ বাবু। দলবদলে প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘ওরা তৃণমূলেই ছিল। একই লোককে বার বার যোগদান করিয়ে জনসমর্থন ফিরে পেয়েছে বলে একটা আবহ তৈরি করতে চাইছে তৃণমূল।’ তাঁর দাবি, ‘প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে এই কাজ করছে তৃণমূল।

বিজেপি নেতাদের যোগদান না করাতে পারলে তৃণমূল নেতাদের শাস্তির মুখে পড়তে হবে সতর্ক করেছেন তিনি। নিজেদের পদ বাঁচাতে তৃণমূল নেতাদেরই তৃণমূলে যোগদান করাচ্ছেন শাসকদলের নেতারা।

’সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন,‘বিজেপি ক্ষমতায় আসছে বুঝে কিছু লোক লু’টেপু’টে খাওয়ার মতলবে বিজেপিতে এসেছিল। কিন্তু বিজেপি শৃঙ্খলাবদ্ধ দল। এখানে করে খাওয়া অত সোজা নয়। এটা টের পেয়ে তারা তৃণমূলে ফিরছেন।’

Reply