দীর্ঘদিন ফোন আসেনি বাবার, “বাবা কোথায়?” মা কে প্রশ্ন করে চলেছে শহীদ সন্তোষ বাবুর সন্তানেরা

আজ সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এখনও বাড়িতে বয়স্ক বাবা-মা’ র সঙ্গে, স্ত্রী এবং সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর কথা ছিল তার। কিন্তু লকডাউনের জেরে লাদাখেই আটকে পড়েছিলেন কর্নেল সন্তোষ বাবু।ক’রো’নাা ভা’ই’রাসের প্রকোপ কাটলে সেপ্টেম্বরে বাড়ি ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। সে কথা নিজেই পরিবারকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ইচ্ছা পূরণের আগে গালোয়ান সং’ঘ’র্ষে শ’ হী’ দ হন কর্নেল বি সন্তোষ বাবু।

১৪ জুন বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে প্রথমে কথা বলেন সন্তোষ বাবু। মেয়ে অগ্নিভার সঙ্গেও কথা হয় তার। পরের দিনই গালওয়ান উপত্যকায় চীনের পিপলস লিবারেশন আ’র্মি’র সঙ্গে যু’ দ্ধে শ’ হী’ দ হন তিনি।

বি সন্তোষের স্ত্রী সন্তোষী, মেয়ে অভিগ্না এবং ছেলে অনিরুদ্ধ দিল্লিতে থাকেন। অক্টোবর মাসে তেলেঙ্গানার সুরিয়াপেটে নিজের বাড়িতে ফেরার কথা ছিল সন্তোষের। আসেনি! অবশেষে পতাকায় আচ্ছাদিত ক’ফি’ন’বন্দি নি’থর দে’হ বাড়িতে পৌঁছায়।দীর্ঘদিন বাবার কোনো ফোন আসেনি। মেয়ে অভিগ্না এবং ছেলে অনিরুদ্ধ বারবার মাকে একই প্রশ্ন করে চলেছে,”বাবা কোথায়?” প্রত্যেক বারের মত তার মার উত্তর দিয়েছে, তাদের বাবা এখন অফিসে আছে।

কাজ শেষ হলে নিশ্চয়ই বাড়ি ফিরবে। এমন মুহূর্তে দুই অবুঝ মন কে এই সান্তনা দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই কর্নেল সন্তোষের স্ত্রীর। সন্তোষের সঙ্গে শেষবার কথায় “সাহসী হও” উপদেশ আজ মানবতা দিয়ে চলেছেন কর্নেল সন্তোষের স্ত্রী।

Reply