BREAKING: কৃষি বিল পাসে সম্মতি রাষ্ট্রপতির…

কৃষি বিল পাস নিয়ে উত্তাল সারা দেশ। কৃষি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে লোকসভায় মোট তিনটি বিল পাস করানোর আর্জি রাখে কেন্দ্র সরকার। গত রবিরার একটি কৃষি বিল পাস করানোর প্রতিবাদে রাজ্যসভায় ঘটে ধুন্ধুমার কান্ড। রাজ্যসভার ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখান বিরোধী রাজনৈতিক দলের সাংসদরা। প্রতিবাদের নামে ভেঙে ফেলা হয় মাইক, ছিঁড়ে ফেলা হয় রুলবুক। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান শাসকদল। এর জেরে গত সোমবার বিরোধী দলের মোট ৮ জন সাংসদকে রাজ্যসভা থেকে বহিষ্কারও করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্রও করে রাজ্যসভা বয়কট করেন বিরোধী দলের সাংসদ।

এই বিষয় নিয়ে নিষ্কৃতি মিলছে না কিছুতেই। দিন গড়াচ্ছে কিন্তু প্রতিবাদ বেড়েই চলেছে। এর জেরে দিল্লি, পঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকেরা বিক্ষোভে সামিল হন। পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ জানান পশ্চিমবঙ্গের কৃষক সংগঠনও। বিরোধী দলের সাংসদ রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে দেখা করে এই বিলে স্বাক্ষর না করারও আবেদন জানান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিল পাস করা নিয়ে নিজের সম্পূর্ণ সম্মতি জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

এই কথা চাউর হতেই এই বিলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন ছত্রিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। রবিবার একটি সংবাদসম্মেলন করে তিন বক্তব্য রাখেন যে, কেন্দ্র এই বিল অগণতান্ত্রিকভাবে রাজ্যসভায় পেশ করেছে। এই মুহূর্তে সারা দেশ করোনা ভাইরাসের সঙ্গে লড়তে ব্যস্ত। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের নজরও এখন সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ ত্যু ‘রহস্যের দিকে। এই সুযোগকে ঢাল করেই কেন্দ্র এমন সময় এই বিল পাস করায় যাতে মানুষের নজর এদিকে বেশি না পড়ে।

কৃষিক্ষেত্রের উপর কেন্দ্রের একচ্ছত্র অধিকার নেই, এই নিয়ে কোনও আলোচনায় রাজ্যকেও সমানাধিকার দেওয়া উচিত বলেও দাবী করেছেন তিনি। সংবাদসম্মেলনে তিনি বলেন, “অগণতান্ত্রিকভাবে পাস হওয়া এই তিন বিল নিয়ে পরবর্তী রাজ্যসভা অধিবেশনে আমরা আলোচনা করব। আলোচনার মাধ্যমে এই বিলগুলি যাতে সংশোধন করা যায়, সেই দাবীও রাখা হবে। দরকার পড়লে এই বিলের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়া হবে। তবে বেআইনি মতে পাস করা এই বিলগুলি রাজ্যসভার পরিকাঠামোকে ভেঙে দিতে সক্ষম”।

Reply