লকডাউনে পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে ৩০সেকেন্ড লেট, পরীক্ষা দিতে দেওয়া হলোনা পরীক্ষার্থীদের

সোমবার ছিল অগাস্ট মাসের শেষ লক ডাউন। লক ডাউন থাকা স্বত্বেও পরীক্ষার তারিখ বদল হয় নি। সেক্টর ফাইভের টিসিএস গীতবিতান ক্যাম্পাসে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী মেডিকেল গ্রাজুয়েট এর অনলাইন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল কিন্তু লক ডাউনে পুলিশদের বারংবার জিজ্ঞাসাবাদের জেরে পরীক্ষা হলে পৌঁছতে দেরি হয় বহু শিক্ষার্থীদের, এমনকি 30 সেকেন্ড দেরি হয়াতেও বসতে দেওয়া হয়নি পরীক্ষায় তাই উত্তেজনা ছড়ালো সল্টলেক সেক্টর ফাইভ এলাকায়।

পরীক্ষার্থীরা দাবি করেছেন লক ডাউনের দিন পরীক্ষা দিতে আসার জন্য পথে শহরের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ নাকাচেকিং এ আটকায় এবং জিজ্ঞাসাবাদ করে ছাত্রদের। কোথায় যাচ্ছে কি জন্য যাচ্ছে তার উত্তর দিতে হয় একাধিকবার এমনকি বহু জায়গায় তাদের উত্তর সত্যি হিসেবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতেও হয়েছে।

আর সে জন্যই বারংবার জিজ্ঞাসাবাদ পর্ব কাটিয়ে বহু পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা হলে পৌঁছতে কারো 30 সেকেন্ড কারো এক মিনিট বা কারো বা 2 মিনিট বা কারো একটু বেশিই দেরি হয়ে যায়। সামান্য হলেও নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ায় পৌঁছনোর জন্য তাদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয় না, এমনকি পরীক্ষা হল অব্দি ও যেতে দেওয়া হয় না।

তাদের কারো কোনো কারণ গ্রাহ্য করেননি কেউই। পরে দেখা যায় যারা পরীক্ষা নেবেন তারা আধ ঘন্টা বাদেও পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকেন। এই দ্বিচারিতার কারণে অভিবাকরাও পরীক্ষার্থীদের সাথে বিক্ষোভে যোগ দেন।

দেরি করে আসা পরিদর্শকদের ঘিরে তারা বি’ক্ষোভ দেখান। প্রথমত লক ডাউনে পরীক্ষা আর তারপর সেটার জন্য দেরি হওয়া স্বাভাবিক তা জানা সত্বেও পড়ুয়াদের বছর নষ্ট করে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার জন্য ক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়াদের একাংশ। শেষ পর্যন্ত ইলেক্ট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ এলে পরিস্থিতি সামলানো যায়।

বাংলার পাশাপাশি বিহার, উত্তর প্রদেশ, আসাম এবং উড়িষ্যা রাজ্য থেকেও বিরাট সংখ্যক পরীক্ষার্থী এ রাজ্যে এই ফরেন মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে এসেছিল। সরকার থেকে জানানো হয়েছে, আগামী দিনে লকডাউন ঘোষণা করার আগে পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয় ভালো করে জেনে, তারপরই পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হবে।

Reply