“কৃষকদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে কৃষি বিলে”, প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা রাহুলের

তিন তিনটে কৃষি বিল পাস করে কৃষকদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে বলে দাবি রাহুল গান্ধীর। নতুন কৃষি বিল কৃষকদের কাছে মৃ”ত্যু’দণ্ডের সমান বলে মনে করেন তিনি। একইসঙ্গে বিরোধীদের অনুপস্থিতিতে যেভাবে কৃষি বিল পাস করানো হয়েছে তাতে গণতন্ত্রের হ’-ত্যা হয়েছে বলে মনে করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী।

রাজ্যসভায় কৃষক বিল পাস হওয়া নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরোধীদের কিছুটা এড়িয়ে গিয়েছেন তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন রাহুল। তার সঙ্গে সহমত অন্যান্য বিরোধী দলগুলি ও।

এদিন একটি মিডিয়ার রিপোর্ট টুইটের সঙ্গে জুড়ে দিয়ে রাহুল লেখেন,”কৃষি আইন আমাদের কৃষকদের জন্য মৃ’*-ত্যুদণ্ড। সংসদের ভিতরে এবং বাইরে তাঁদের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। ভারতে যে গণতন্ত্রের প্র’য়া’ণ ঘটেছে, এটাই তার প্রমাণ।”

কই মিডিয়া রিপোর্ট দেখলে বোঝা যাবে যে, রাজ্যসভার সিসিটিভি ফুটেজ সেখানে তুলে ধরা হয়েছে। বিরোধী নেতা সিপিএমের কে কে রাগেশ এবং ডিএমকে-র ত্রিচি শিবা নিজের আসনে বসে রয়েছেন।

২০ জুন রাজ্যসভায় দুটি কৃষি বিল পাস হওয়া নিয়ে যে তুমুল ঝামেলার সৃষ্টি হয় তাতে রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশনারায়ণ সিংহ জানান ভোটাভুটির জন্য আসনের বিরোধীরা উপস্থিত নেই তাই ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে ‘কৃষি পণ্য লেনদেন ও বাণিজ্য উন্নয়ন বিল’ এবং ‘কৃষক সুরক্ষা ও ক্ষমতায়ন বিল’ পাশ করা হয়।

কৃষি বিলের প্রতিবাদে ডেপুটি চেয়ারম্যানের টেবিলের সামনেও বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি রুল বুক ছিড়ে ফেলার অভিযোগ উঠে আসে বিরোধীদের বিরুদ্ধে। সাসপেন্ড করা হয় আমারটা জনবিরোধী সাংসদ কে।

রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর সোমবার রাতভর সংসদ চত্বরে ধরনা দেন আট সাংসদ। এরপর মঙ্গলবার সকালে গান্ধীমূর্তি পাদদেশে বিক্ষোভ দেখান প্রায় সব বিরোধী সাংসদ। জানিয়ে দেন সাসপেন্ড সাংসদদের ফিরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত অধিবেশন বয়কট করা হল।

কৃষি বিল সংশোধনের জন্য রাগেশ এবং শিবা আবেদন জানালেও সেই আবেদন কে অগ্রাহ্য করে হরিবংশ ধ্বনি ভোটের নির্দেশ দেন। বিরোধীশূন্য রাজ্যসভায় ‘অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিল’ পাশ হয়ে যায়।

শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের বিলে স্বাক্ষর করার পর তা আইনে পরিণত হয়। আজও এই নিয়ে পঞ্জাব ও হরিয়ানার বিভিন্ন জায়গা ছাড়াও কর্নাটক, মহারাষ্ট্র, বিহারেও চলছে প্রতিবাদ বি’ক্ষো’ভ।

Reply