“রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন প্রয়োজন”, বিজেপি নেতা খু’-নে ক্ষুদ্ধ বাবুল

আসানসোলে এসে ব্যারাকপুর এর ঘটনা নিয়ে সব দলের বি’রুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বাবুল সুপ্রিয়। ক’রোনা আবহে প্রায় মাস ছয়েক পর নিজের সংসদীয় এলাকায় এলেন তিনি। তবে স্থানীয়দের আপত্তির কারণে মহিশীলায় যাননি বাবুল।

আগে করো’না টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত হোটেলে ছিলেন তিনি। বিকেলে নিয়ামতপুরে কর্মসূচি থাকলেও সেখানে উপস্থিত হননি বাবুল। আসানসোলের এসে ব্যারাকপুরের ঘটনা নিয়ে বাবুল বলেন,”তৃণমূলের মিছিল শেষ হয়ে যাওয়ার পর গুলি করে মারা হয়েছে অর্জুন ভাইয়ের একদম কাছের ছেলেকে।

আমরা বহুবার রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়েছি ৩৫৬ জারি করার জন্য। পশ্চিমবঙ্গের যা অবস্থা তৈরি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাতে ৩৫৬ জারি করাই উচিত। তবে আমরা মানুষের রায়ে বিশ্বাস করি।”

আসানসোলের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় নিজের সংসদীয় ভূমিতে পা রাখার পর তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে জনগণের ভিড় উপচে পরে। আরপিএফ বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খায়। স্টেশন চত্বর থেকে বেরোতে বেরোতে ৪৫ মিনিট সময় চলে যায় বাবুলের।

বাবুল বলেন,”খুব ভাল লাগছে এতদিন পর এসে। কিন্তু আমার চারপাশটা দেখেই বুঝতে পারছেন সমস্ত নিয়ম ভেঙে গিয়েছে। আমি এলাকায় ঘুরলে এরকম হবে এটা আমি জানতাম তাই এতদিন আসিনি। মানুষের উচ্ছ্বাস, ভালবাসাকে তো উপেক্ষা করার উপায় নেই। তাই গাড়িতে আমি অন্তত ১ হাজার মাস্ক নিয়ে ঘুরছি। যেখানে যাবো, মানুষকে দিতে হবে।”

আসানসোলে দীর্ঘদিন আসেননি বাবুল সুপ্রিয়। আসানসোলে যে সমস্ত প্রকল্পের কাজ চলছিল লকডাউনের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায়। এদিন বাবুল সুপ্রিয় বলেন,”আমি দিল্লিতে থাকলেও আমার কাজ করে গিয়েছি। কুমারপুর রেল ব্রিজ, ইএসআই হাসপাতাল, জাতীয় সড়কের ধারে সার্ভিস রোড-সহ অনেক কাজ হয়েছে।”

এখানেই থেমে থাকেননি বাবুল। হাথরাসে তরুণী কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন তিনি। বাবুল বলেন,”যোগিজি সিবিআই তদন্তের কথা নিজে থেকেই বলেছেন। যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিক বেপরোয়াভাবে কাজকর্ম করেছে তাদের উপর শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাস্তায় নামার কোনও অধিকার নেই এটা একটা দেশব্যাপী, বিশ্বব্যাপী সমস্যা। সেজন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে লড়তে হবে।”

Reply