“সাধারণ মানুষের টাকায় কেনা প্রধানমন্ত্রীর ৮ হাজার কোটির বিমান বিলাসিতা নয়?”, পাল্টা জবাব রাহুল গান্ধীর

কৃষি বিলের বিরোধিতা করে ট্রাক্টর নিয়ে মিছিল করার পথে বাধা প্রাপ্ত হলেন রাহুল গান্ধী। শর্ত অনুযায়ী হরিয়ানায় প্রবেশের আগে তাকে হরিয়ানা সীমান্তে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। পুলিশের এই বাধা নিয়ে রাহুল বলেন,”৫০০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হলেও আমি করতাম।”

পরপর পাস হওয়া কৃষি বিলের বিরোধিতা করতে শুরু করেছে সারাদেশ।স্বয়ং রাহুল গান্ধী পাঞ্জাবের কৃষক আন্দোলনের প্রথম সারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিন দিন ধরে খেতি বাঁচাও ট্রাক্টর যাত্রার সূচনা করেন তিনি।

মঙ্গলবার ছিল ওই কর্মসূচির শেষ দিন। পাঞ্জাব পেরিয়ে হরিয়ানায় প্রবেশ করার মুখে মিছিলে বাধা দেয় হরিয়ানা পুলিশ। সেখানেই স্লোগান দিতে থাকেন কংগ্রেস কর্মীরা। সাংবাদিকদের কাছে রাহুল বলেন,”ওঁরা আমাদের হরিয়ানা সীমানায় আটকে দিয়েছে।

যতক্ষণ না এই বাধা তোলা হবে, আমি ততক্ষণ এখানে অপেক্ষা করব। সেটা দু’ঘণ্টা হলে দু’ঘণ্টা, পাঁচ ঘণ্টা হলে পাঁচ ঘণ্টা, ২৪ ঘণ্টা হলে ২৪ ঘণ্টা। আর ৫০০ ঘণ্টা হলে ৫০০ ঘণ্টাই অপেক্ষা করব।” তিনটি ট্রাক্টর ও ১০০ জনকে নিয়ে ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে তবে প্রবেশ করার অনুমতি দেয় হরিয়ানা পুলিশ।

পাঞ্জাবে অকালি দলের পক্ষ থেকে তীব্র আ’ক্র’মণ এর তী”র ছোড়া হয় রাহুলকে। অকালি দলের প্রশ্ন,”সংসদে যখন কৃষিবিল পাশ হচ্ছিল তখন কোথায় ছিলেন? এখন কৃষকদের জন্য কুমীরের কান্না কাঁদছেন!” রাহুল বলেন,”আমার মা অসুস্থ। তিনি চিকিৎসার জন্য বাইরে গিয়েছিলেন।

আমার বোন যেতে পারেনি। তাই গিয়েছিলাম। ছেলে হিসেবও আমার কিছু দায়িত্ব আছে।” ট্রাক্টর নিয়ে মিছিল করায় রাহুল গান্ধীকে বিজেপির কটাক্ষের মুখেও পড়তে হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়,”গদিতে বসে ট্রাক্টর চালিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর নাটক করছেন রাহুল।”

এ প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধী বলেন,”প্রধানমন্ত্রী যদি করদাতাদের টাকায় ৮ হাজার কোটি টাকার এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে চড়তে পারেন তাহলে আমি কেন কুশন দেওয়া ট্র্যাক্টরে বসতে পারি না?” বিজেপির কথায় প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী নতুন এ-ওয়ান বিমান কেনার প্রসঙ্গ তুলে ধরলেন রাহুল।

Reply