কলকাতাকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে মমতা, দাবি দিলিপ ঘোষের

ভোট সন্নিকটে উপস্থিত তাই স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল সরকার আর তার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে বিতণ্ডা। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় একই সুরে গাইলেন তৃণমূল বিরোধী বক্তব্য।

গতকাল নবান্ন অভিযানে যোগ দেওয়ার আগে মুকুল রায় বলেন, “ইতিহাস দেখে নিতে পারেন, এখনো পর্যন্ত যে যে সরকার প্রশাসন নির্ভর হয়েছে,তাদের ফল খারাপ হয়েছে। আর এখন তৃণমূল সরকার সম্পূর্ণভাবে প্রশাসন নির্ভর।

বিজেপিরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চাইছে।কিন্তু যদি কোথাও পুলিশ পথ আটকায় তবে সেখানেই আটকে পড়ব।” আর অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ বললেন মমতা কলকাতাকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছেন।

মুকুল রায়ের পর, নিজস্ব ভঙ্গিমায় দিলীপ ঘোষ তীব্র ভাবে আ’ক্রমন করেন তৃনমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জিকে। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যখন তখন লকডাউন ঘোষণা করা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। আর তার জন্যই ধর্মঘট আজ পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ ব্যাপারে পরিণত। মমতা ব্যানার্জি গোটা কলকাতাকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”

দিলীপ ঘোষ জানান যে হলদিয়া, বর্ধমান সহ বিভিন্ন হাইওয়েতে পুলিশ বিজেপি কর্মীদের আটকে দিচ্ছে যেকারণে যে সংখ্যক লোক বল নিয়ে নবান্ন অভিযান করার কথা ছিল তার ১৪ শতাংশ লোক আসতে পেরেছে । তাই তিনি স্পষ্ট জানালেন যে বোঝাই যাচ্ছে তৃণমূল সরকার বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে।

শুধু এই নয়, এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন যে, আ’তঙ্ক’বাদীদের গায়ে হাত দেওয়ার সাহস নেই এই সরকারের, তাই বিজেপি কর্মীদের টেনে হিঁচড়ে এদিনের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার থেকে আটকে নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শন করছে। পুলিশ মমতা ব্যানার্জীর নির্দেশ মত একশন নেওয়ায় পুলিশকে দিলীপ বাবু ‘ইউনিফর্ম পরা তৃণমূলের ক্যাডার’ বলে উল্লিখিত করেছেন।

Reply