“বিজেপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়, ওরা স’ন্ত্রা’সবাদী”, বললেন ফিরহাদ হাকিম

বিজেপি যুব মোর্চার নবান্ন অভিযান কে ঘিরে অশান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে তা আগে থেকেই ধারণা করা গিয়েছিল। তারই বাস্তব রূপ ফুটে উঠল বৃহস্পতিবার। বেলা বাড়ছে না বাড়তি শহরের প্রতিটি প্রান্তে পুলিশ কর্মীরা মিছিল আটকাতে সক্রিয় হয়।

বিজেপির যুব মোর্চার নবান্ন অভিযান কালে হাওড়া ময়দানে মিলল অ’স্ত্র। এরপর থেকেই আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। ঝাড়গ্রাম থেকে ফিরে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমেই নবান্নে মিনিট পাঁচেকের জন্য থেকে চলে যান ভবানী ভবনে। রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্রর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ এই বিষয়ে আলাপ আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে যে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছিল সেই কারণে বিজেপি নেতৃত্বদের “স’ন্ত্রাস’বাদি” বলে আখ্যা দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এদিন ফিরহাদ হাকিম বলেন,”বিজেপি রাজনৈতিক দল নয়, স’ন্ত্রা’সবা’দীদের দল।

বাংলার শান্তি বিঘ্নিত করার চেষ্টা করছে। এসব এখানে হবে না। অশান্তি আটকাতে যা যা করার, পুলিশকে বলেছি, সবরকম ব্যবস্থা নিতে। রাজনৈতিক দলের মিছিলে কখনও অ’-‘স্ত্র থাকে না, স্লোগান থাকে, পোস্টার-ফেস্টুন থাকে।” ফিরহাদ মনে করেন,গুজরাট, দিল্লি, উত্তর প্রদেশের হিংসা ছড়ানোর পর এবার পশ্চিমবঙ্গকে অশান্ত করতে এসেছে বিজেপি।

ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন,রাজনৈতিক দলের মিছিল থেকে বো-‘মা ছোড়া যায় না। রাজনৈতিক দলের মিছিলে ঝান্ডা থাকবে, স্লোগান থাকবে। রাজনৈতিক দল তাদের কথা মানুষের সামনে তুলে ধরবে।

গণতন্ত্রে মানুষ ঠিক করবে। রাজ্য প্রশাসনের সদর দপ্তরে ১৪৪ ধরা জারি রাখা হয়। আইন অমান্য করে বিজেপি কর্মীরা এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পাল্টা প্রতিরোধ করতে ঝাঁপিয়ে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব। এদিন মিছেলে বলবিন্দর সিং নামক এক বিজেপি কর্মীর থেকে আ’-‘গ্নেয়া’-‘স্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট বৃষ্টিতে জখম হয় এক পুলিশ কর্মী।

Reply