“নবান্ন আমরা স্যানিটাইজ করব”, বিস্ফোরক মন্তব্য লকেট চট্টোপাধ্যায়ের

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে শহরতলি জুড়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি সারা রাজ্যবাসী দেখেছিল। নবান্ন অভিযানকে সফল করতে জেলা হয়ে বিজেপি এগিয়ে এসেছে ঠিক একই শক্তি নিয়ে পুলিশ এগিয়ে এসেছিল এই অভিযানকে বিফলে পাঠাতে। সমগ্র বিষয় নিয়ে মহানগরীর রাজপথ রণক্ষেত্রের রূপ নেয়।

অশান্তি এড়াতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী তিনদিন ধরে নবান্ন বন্ধ রাখা হয়। যদিও স্যানিটাইজেশনের কাজের কথা উল্লেখ করে নবান্ন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের অধিকাংশ জন মনে করেন,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে নবান্ন বন্ধ রাখার মতন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

যতই নবান্ন বন্ধ থাকুক, অশান্তি কোন অংশে কম হয়নি। রাস্তায় রাস্তায় অলিতে-গলিতে ছিল ব্যারিকেড, পুলিশের টহলদারি এবং কমব্যাট ফোর্স। প্রাচীন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিজেপি কর্মীরা একের পর এক আ’ক্রম’ণাত্মক তি’র চলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর দিকে। একইভাবে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় তীব্র হুংকার দিলেন রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে।

বিজেপির নবান্ন অ’ভিযানে মানা হয়নি সোশ্যাল ডিসটেন্স। ক’রো’না বিধিকে শিকেয় তুলে এদিনের অভিযানের আয়োজন করা হয়। হেস্টিংস, জিটি রোড সংলগ্ন এলাকায় চরম অশান্তির পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

পুলিশের বাধা না মেনে সে দিনের মিছিলে উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। হেস্টিংস মোড়ে ছিলেন তিনি। একই সঙ্গে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায় জানান,”এতটা আমরা এসে পৌঁছেছি। বাকিটা ছ’মাসে নবান্নে পৌঁছে যাব। তখন নবান্নে ঢুকে পড়বো এবং আমরা এখানে স্যানিটাইজার করব।”

সাঁতরাগাছি, ডানকুনি, হেস্টিংস, ডুমুরজলা সহ বেশ কিছু অঞ্চলে বিজেপির নবান্ন অভিযান কে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। হাওড়া ময়দানে বো-‘মা ফাটানো হয়।

পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতেই লাঠিচার্জ করতে শুরু করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানোর পাশাপাশি নিয়ে আসা হয় জলকামান। সেখানেই দিলীপ ঘোষের উপর লাঠিচার্জ করার অভিযোগ উঠেছে। সব মিলিয়ে বিজেপির নবান্ন অভিযানে অশান্তির পরিবেশ চরমে ওঠে।

Reply