লাদাখকে বেআইনি ভাবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা, মন্তব্য চিনের

লাদাখ সঙ্ঘাতের মধ্যেই সীমান্তে ভারতের একাধিক সেতু নির্মাণ নিয়ে ফুঁসে উঠল চিন। মঙ্গলবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ওই নির্মাণকার্যের নিন্দা করেছে তারা। পাশাপাশি এ-ও বলা হয়েছে, লাদাখকে ‘বেআইনি ভাবে’ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করেছে ভারত। এ দিন বেজিংয়ের প্রতিক্রিয়া নিয়ে অবশ্য মুখ খোলেনি নয়াদিল্লি। সোমবারই সীমান্তে ৪৪টি সেতুর উদ্বোধন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ঝাও লিঝিয়ান এ দিন বলেন, ‘‘প্রথমত আমি পরিষ্কার করে দিতে চাই যে, বেআইনি ভাবে ঘোষণা করা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখকে ভারতের বলে স্বীকৃতি দেয় না চিন। অরুণাচলপ্রদেশকেও নয়। সীমান্ত এলাকায় সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনে যে নির্মাণকাজ হয়েছে আমরা তারও বিরুদ্ধে।’’ লিঝিয়ানের মতে, দু’দেশের ঐকমত্য অনুসারে, সীমান্তে এমন কোনও পদক্ষেপ করা উচিত নয়, যাতে উত্তেজনা বাড়তে পারে। দুই প্রতিবেশীর মধ্যে সঙ্ঘাতের মূল কারণ হিসাবে সীমান্তে দিল্লির এই পরিকাঠামোগত উন্নয়নকেই চিহ্নিত করেছে বেজিং।

ক্ষোভ উগরে দেওয়ার পাশাপাশি, নয়াদিল্লিকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন লিঝিয়ান। তাঁর মতে, ‘‘আমরা ভারতের কাছে দু’দেশের ঐকমত্য মেনে চলার জন্য আন্তরিক ভাবে আবেদন করব। সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ে এমন কাজ থেকে তারা যেন বিরত থাকে। সীমান্তে শাস্তি এবং স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে তারা যেন বলিষ্ঠ পদক্ষেপ করে।’’

সোমবারই চিন এবং পাকিস্তান সীমান্তে ৪৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুর উদ্বোধন করেন রাজনাথ। ওই সেতুগুলি লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীর, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, হিমাচল প্রদেশ, উত্তারখণ্ড এবং পঞ্জাবের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় তৈরি করা হয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ওই দিন রাজনাথ বলেন, ‘‘প্রথমে পাকিস্তান এবং তার পর চিনও, মনে হচ্ছে একটা উদ্দেশ্য নিয়ে সীমান্ত সঙ্ঘাত বাধানো হচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত চিন এবং পাকিস্তান এই দুই প্রতিবেশীর সঙ্গে ভারতের প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। দুই প্রতিবেশীর সঙ্গে নয়াদিল্লির সীমান্ত সঙ্ঘাতের কথাও ওই দিন তুলে ধরেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী

Reply