তাইওয়ান খোঁচা বিজেপি নেতার…

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন ভারতীয় ভূখণ্ড থেকে লালফৌজকে হটানো সম্ভব হয়নি এখনও। কিন্তু সুযোগ পেলে বেজিং-কে খোঁচা দিতে ছাড়ছে না নয়াদিল্লি। অতীতে বহু বার তিব্বত তা’ স খেলে চাপ বাড়ানো হয়েছে চিনের উপর। পাশাপাশি তাইওয়ান-কে গুরুত্ব দিয়ে বেজিং-কে অস্বস্তিতে ফেলার কৌশলও নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ বারে যা হল তা খানিকটা অভিনব। আজ, অর্থাৎ ১০ অক্টোবর, তাইওয়ান তাদের জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন করে। গত কাল রাতে বিভিন্ন দেশের দূতাবাস যেখানে রয়েছে, সেই চাণক্যপুরী এবং চিনা দূতাবাসের সামনে বিজেপি-র এক স্থানীয় নেতা তাজিন্দর পাল সিংহ বাগ্গার নামে একটি পোস্টার লাগানো হয়। সেখানে তাইওয়ানের পতাকার ছবি দিয়ে জাতীয় দিবসের জন্য শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে তাদের। পরে অবশ্য পোস্টারটি সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিষয়টির মধ্যে কোনও সরকারি গন্ধ নেই। বিদেশ মন্ত্রকও চুপ। কিন্তু রাজনৈতিক সূত্রের মতে, বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ ছাড়া এমন একটি পদক্ষেপ করার কোনও কারণই নেই বিজেপি-র ওই স্থানীয় নেতার। ঘুরপথে লাঠি অটুট রেখে ড্রাগনকে বার্তা দেওয়ার কৌশল হিসেবেই একে দেখা হচ্ছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তিন দিন আগেই নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত চিনা দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে চিঠি লিখে মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, এক চিন এক সরকার নীতি যেন বিস্মৃত না হয় ভারত। তাইওয়ানকে আলাদা দেশ হিসেবে, তাদের নেতাকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ না করতেও পরামর্শ দেওয়া হয় ওই চিঠিতে।

সব মিলিয়ে ভারত-চিন সীমান্তে গত কয়েক মাস ধরে চলা সং’ ঘা’ তের মধ্যে এই তাইওয়ান-ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে মনে করা হচ্ছে। কয়েক মাস আগেই এক প্রবীন কূটনীতিকে বিশেষ দূত হিসেবে তাইপেই-তে পাঠিয়েছে নয়াদিল্লি। বিষয়টি ভাল ভাবে নেয়নি বেজিং।

Reply