‘কিন্তু ওই চেয়ার থাকবে না’ খোদ মন্ত্রীর বিরুদ্ধেই এবার বোমা ফাটালেন তৃণমূল নেতা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দলের সর্বস্তরের নেতা, কর্মী, দলের ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েতের নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের ‘এক সাথে চলা’র বার্তা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী! গোষ্ঠী কোন্দল নয়, বরং একজোট হয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

কিন্তু গত কয়েকদিনে একাধিক তৃণমূল বিধায়ক, নেতা কার্যত বোমা ফাটিয়েছেন! দুর্নীতি সহ একাধিক ইস্যুতে দলেরই বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। যা যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার সে পথে হাঁটলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের অন্যতম সহ সভাপতি বিদ্যুৎ দাস। এক হাত নিলেন দলের জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরাকে।

বৃহস্পতিবার ব্লক তৃণমূল মহিলা ও যুব তৃণমূলের ডাকে কৃষি বিল, জাতীয় সম্পদ বেসরকারীকরণ, মূল্যবৃদ্ধি ও উত্তর প্রদেশের হাথরাসের ঘটনার প্রতিবাদে রানীবাঁধে মহামিছিল শেষে এক সভায় বক্তব্য রাখছিলেন তিনি।

বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুব তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন মানে সামনে কঠিন লড়াই। আর এই লড়াইয়ের আগে যারা দলবাজি-লবিবাজি করছেন, দল ক্ষমতা থেকে সরে গেলে কিন্তু ওই চেয়ার থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারী দেন।

এর পরেই বলেন, জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা এই মঞ্চকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেছিলেন। আর রাজ্য নেতৃত্বের অনুমতি নিয়ে জেলা যুব তৃণমূল সহ সভাপতি বিদ্যুৎ দাস রানীবাঁধে মিছিল ও সভা করলেন বলে জানান।

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জেলা যুব তৃণমূল সহ সভাপতি বিদ্যুৎ দাস বলেন, উনি (জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরা) শাখা সংগঠনের প্রত্যেক নেতৃত্বকেও এদিনের কর্মসূচীতে আসতে নিষেধ করেছিলেন। আমি প্রত্যেককেই চিঠি করেছিলাম।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তৃণমূল জেলা সভাপতি শ্যামল সাঁতরার সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। তাই তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এই ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

Reply