শুরু হল কার্তিক মাস, এই নিয়মগুলি মেনে চললে অর্থ ভাগ্য তুঙ্গে থাকবেই!

রবিবার থেকে শুরু হল কার্তিক মাস (kartik month)। বাংলার ১২ মাসের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম মাস কার্তিক। কার্তিক মাসকে পুরুষোত্তম মাসও বলা হয়ে থাকে। হিন্দু শাস্ত্র মতে এটা মানা হয় যে, এই মাস ধন, সুখ শান্তি পাওয়ার জন্য সর্বশ্রেষ্ঠ মাস। দান করার ক্ষেত্রেও এই মাস সর্বশ্রেষ্ঠ। এই মাসে দান করলে তা ফলদায়ক হয়ে থাকে। বলা হয়, এই মাসে লক্ষ্মীদেবীকে যদি সন্তুষ্ট করা যায়, তা হলে সারা বছর তাঁর কৃপা (good luck) পাওয়া যায়।

বাংলার ১২ মাসের মধ্যে কার্তিক মাস (kartik month) বিষ্ণু ও শিব ভক্তদের অনুকূল বলে মনে করা হয়। ঠিক এই কারনেই বিষ্ণু ও শিবের মন্দিরে হাজার হাজার ভক্তদের সমাগম হয়ে থাকে। কার্তিক মাসে, কর্ণাটক ও অন্ধ্র প্রদেশের বহু ভক্ত কার্তিক সোমবার ব্রত পালন করে থাকেন। এই মাসে পূর্ণিমাতে কার্তিক নক্ষত্রটি চাঁদের সহচার্য্যে থাকে বলে এই মাসের নাম কার্তিক। এদিকে শিবের পুত্রের নামও কার্তিক। তাই এই মাসে নিষ্ঠা সহকারে কয়েকটি বিশেষ নিয়ম পালন করে দেবাদিদেব মহাদেব ও গৌরী তুষ্ট হন সহজেই। তাই পুরো কার্তিক মাস জুড়ে মেনে চলুন এই সাধারণ নিয়মগুলি তাহলেই ঈশ্বরের কৃপাদৃষ্টি বজায় থাকবে আপনার উপর।

কার্তিক মাসে (kartik month) যদি সূর্য উদয়ের আগে স্নান করা হয়, তা হলে তা খুবই ভালো ফল দেয়। আর যদি কাছাকাছি কোনও পবিত্র নদী থাকে, সেখানে প্রতিদিন স্নান করাও খুব মঙ্গলজনক হয়। নদীতে স্নান করার আগে নিজের আঙুল দিয়ে জলে ‘ওঁ’ লিখুন। তারপর জলে ডুব দিয়ে স্নান করুন। যদি বাড়ির বাথরুমে স্নান করা হয়, তা হলে বালতির জলে আঙুল দিয়ে ‘ওঁ’ লিখে তারপর জল ঢালুন। এর ফলে আপনার কাছে থাকা নেগেটিভ শক্তি দূরে সরে যাবে এবং গ্রহ দোষ কেটে যাবে।

এই মাসে ঘর-বাড়ির কোনও অংশ নোংরা করে রাখবেন না। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখুন বাড়ির আনাচ-কানাচ। সেই সঙ্গে বাড়ির প্রধান দরজার সামনে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই ঘর থেকে কেউ বাইরে বেরনোর আগে দরজার সামনের অংশ জল দিয়ে ধুয়ে দিন।

এই মাস শুরুর প্রথম দিন থেকেই সন্ধেবেলায় পূর্ব পুরুষের উদ্দেশে প্রদীপ দান করুন। এই মাসে কোনও দুঃস্থ ব্যক্তি সাহায্য চাইলে তাকে ফেরাবেন না। সাধ্যমত দান করুন প্রয়োজনে তাঁকে সাহায্য করুন। মনে রাখবেন দান মানেই তা সব সময় আর্থিক দান হতে হবে তা নয়। আপনার যেমন সাধ্য সেই মতই দান করুন।

Reply