পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি, ঢুকতে পারবেন না দর্শনার্থীরা, নির্দেশ হাইকোর্টের

তিটি পুজো মণ্ডপ নো এন্ট্রি জোন৷ ঢোকতে পারবেন না দর্শনার্থীরা৷ অর্থাৎ পুজোয় দর্শকশূ্ন্য থাকবে মন্ডপ৷ প্রতিটি পুজো মণ্ডপকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেব গণ্য করা হবে৷ পুজো বন্ধ শুনানিতে রায় কলকাতা হাইকোর্টের৷ বড় মন্ডপের ক্ষেত্রে দূরত্ব হবে ১০ মিটার৷ আর ছোট মন্ডপের ক্ষেত্রে দূরত্ব ৫ মিটার৷

এই এলাকায় কোনও দর্শনার্থী ঢোকতে পারবেন না৷ মন্ডপের বাইরে লাগাতে হবে নো এন্ট্রি বোর্ড৷ তবে মন্ডপে ঢোকতে পারবেন তালিকায় থাকা উদ্যোক্তাদের কয়েকজন৷ রাজ্যের সব পুজোর জন্য হাই কোর্টের রায় প্রযোজ্য৷ পুজোয় ভিড়ের আশঙ্কা কলকাতা হাইকোর্টের৷

পুজো বন্ধ মামলায় বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশ্ন ২-৩ লক্ষ মানুষকে কিভাবে সামলাবে ৩০ হাজার পুলিশ? পুজোর বাজারের ভিড় ! কাগজে যা ছবি দেখছি, তা ভয় জাগানো৷ বাজারের ভিড়ের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যাবে না৷ ভার্চুয়াল কভারেজ করা যেতে পারে৷ সাধারণ দর্শক ভার্চুয়াল পুজো দেখবেন।

ছোট-বড় সব প্যান্ডেলে নো-এন্ট্রি বাফার জোন করতে হবে৷ কোনও মণ্ডপেই যেন দর্শক ঢুকতে না পারেন৷ প্রতিটি পুজো কমিটিকে করোনা সচেতনতা প্রচারে জোড় দিতে হবে৷ এতে কোন সন্দেহ নেই রাজ্য সরকার গাইডলাইন তৈরি করেছে৷

এটাও ঠিক যে পুলিশ- প্রশাসন তাদের সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে গাইডলাইন পালন করবেন। রাজ্য তৃতীয়া থেকেই এটা শুরু করবে বলেও জানিয়েছে। কিন্তু ৩০ হাজার পুলিশ আছে। বাড়তি হলেও ৩২ হাজার হতে পারে।

ফলে ট্রাফিক কন্ট্রোল,রোজকার বিভিন্ন তদন্ত করে পুজোমন্ডপে ভিড় সামলানো কিভাবে সম্ভব ? অপরদিকে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, গাইডলাইন মেনে কলকাতা, রাজ্য পুলিশ প্যান্ডামিকে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে৷ মন্ডপের সামনে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হবে৷ হাসপাতালে যাতে বেডের সমস্যা না হয়,সেদিকে নজর রাখবে সরকার৷

এদিন নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ডিজি, কলকাতা, হাওড়ার পুলিশ কমিশনার।

এছাড়াও ছিলেন কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের কমিশনার, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

Reply