মমতার স্থান বাংলার হৃদয়ে রয়েছে! মোদী মুখ হলে কী হবে, ২০২১-এর আগেই ‘চ্যালেঞ্জ’ শুরু

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কঠিন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেই মুখ করতে চাইছে বিজেপি। মোদীকে তুলে ধরার চেষ্টা হচ্ছে বিশ্বাসের অপর নাম বলে। এই অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস পাল্টা দিল- ওরা যা ইচ্ছা করুক, কিস্যু হবে না। কারণ মমতা আছেন বাংলার মানুষের হৃদয়ে।

‘হৃদয়ে লেখো না সে নাম রয়ে যাবে’
পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কথায়, বাংলার মানুষ হৃদয়ে স্থান দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই স্থান থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। এরপরই তিনি বলে ওঠেন- ‘যদি পাথরে লেখো নাম সে নাম ক্ষয়ে যাবে’। আর ‘হৃদয়ে লেখো না সে নাম রয়ে যাবে’। সেটাই হয়েছে আমাদের নেত্রীর সঙ্গে।

‘মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান’
তিনি আরও বলে, বাংলার মানুষ কোনওদিনও বিভাজনের রাজনীতিকে প্রশ্রয় দেয়নি। আজও দেবে না। সম্প্রীতির বন্ধনই রুখে দেবে বিজেপির যাবতীয় উচ্ছ্বাস-উন্মাদনা। কারণ বাংলার মানুষ চাননি ধর্মের ভেদাভেদ। বাংলার মানুষ চিরকাল বলে এসেছে- ‘মোরা একই বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান। মুসলিম তাঁর নয়নমণি, হিন্দু তাহার প্রাণ’।

‘বিজেপির মুখ একটাই, বাকি সব দুর্মুখ’
এদিন মোদীকে বঙ্গ বিজেপির মুখ করার চেষ্টাকে একহাত নেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীও। তিনি বলেন, বিজেপির এই চেষ্টাই প্রমাণিত করছে, বিজেপি হেরে বসে আছে। কারণ বাংলার কোনও বিজেপির মুখ নেই। ঘুরেফিরে সেই মোদী-ব্র্যান্ডকেই কাজে লাগাতে হচ্ছে। অর্থাৎ বিজেপির মুখ একটাই, বাকি সব দুর্মুখ।

মোদীকে মুখ করে ময়দানে বিজেপি
বঙ্গে এসে বিজেপির লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তিনি জানিয়েছেন এই মুহূর্তে এনআরসি ইস্যুকে সামনে না এনে নাগরিক বিল নিয়ে প্রচারে ঝড় তুলতে। এই বিল পাস হওয়ার পরই এনআরসি নিয়ে ময়দানে নামবে বিজেপি। আগামী বছরের শুরুতেই মোদীকে এনে ব্রিগেড সমাবেশ করিয়ে ২০২১-এর লক্ষ্যে নামবে গেরুয়া শিবির।

Reply