মাল’য়েশিয়ায় এ’ক ই’ন্দো’নেশিয়ান না’রীর বছরে ৫ জন বাং’লাদে’শী স্বা’মী প’রিব’র্তন

র্ঘ 12 বছর যাবত মালয়েশিয়ায় থাকি মালয়েশিয়ার তিতা মিষ্টি সুখ-দুঃখ নানা চড়াই-উৎরাই ও নানা সংগ্রাম করে টিকে আছি মালয়েশিয়ায়। থাকি মালয়েশিয়ার জহুরবারুতে দীর্ঘ 12 বছর যাবৎ একই কোম্পানিতে কাজ করে আসতেছি, কাজ করি একটি বড় কনস্ট্রাকশন কম্পানি তে।

এই দীর্ঘ সময়ে মালয়েশিয়ার অনেক রঙিন জীবন রঙিন স্বপ্ন রঙ্গিন মানুষ দেখেছি, তবে একটি বিষয়ে আজ লেখালেখি করব, বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শ কাতর। ইন্দোনেশিয়া থাইল্যান্ড ভিয়েতনাম কম্বোডিয়া ফিলিপাইন এই সকল দেশ থেকে বিশেষ করে যারা মালয়শিয়ায় কাজ করতে আসে তাদের 90 শতাংশই হচ্ছে নারী শ্রমিক,

অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে যারা কাজ করতে আসে তাদের ৯৯% হচ্ছে পুরুষ, সুতরাং মালয়েশিয়ায় নারী এবং পুরুষের রসায়নটা কেমন হবে তা উল্লেখ করার মত কিছুই নেই দেখা যাচ্ছে এখানে, আপনি যদি চুম্বক দুটি পাশাপাশি রাখেন তাহলে চুম্বক প্রকৃতিগতভাবেই একটি আরেকটিকে আকর্ষণ করবে কাছে টানবে।

এদেশে রয়েছে অসংখ্য বাংলাদেশি যারা এদেশে এসে অবৈধ হয়ে গেছেন বছরের পর বছর এমনকি অনেকে 7 8 10 বছর পর্যন্ত এদেশে অবৈধভাবে রয়েছে, হাজার হাজার রিংগিট খরচ করো মালয়েশিয়ার সোনার হরিণ পারমিট বা ভিসা পাননি। হিসাব করলে দেখা যায় মালয়েশিয়ায় যেসকল বাংলাদেশিরা রয়েছে তাদের বয়স 20 থেকে ৩৫ বছরের মধ্যেই, এই সোনার যৌবন টি হতাশায় একাকী কাটতেছে টাকার পেছনে ঘুরতে ঘুরতে রঙ্গিন মালয়েশিয়ায়, অন্যদিকে পাশেই হাতছানি দিয়ে ডাকছে সুন্দরী রূপসী।

কন্যারা, যদি বিষয়টি আরোও ব্যাখ্যা করে বলি যেমন মালয়েশিয়ায় প্রত্যেকটি কর্মস্থলে নারীদের সংখ্যা একটি উল্লেখ্য সংখ্যক, হোটেল রেস্টুরেন্ট কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট ফ্যাক্টরি অফিস-আদালত সকল স্থানেই পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও কাজ করে, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় পুরুষদের চেয়ে নারীদের সংখ্যাটাই বেশি, মালয়েশিয়ার স্থানীয় নারীরেদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা অনেক বেশি, অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়া থাইল্যান্ড ফিলিপাইন ভিয়েতনাম এই সকল দেশ থেকে নারীরা।

এসে দেশে বছরের পর বছর কাজ করে কোন পুরুষ অভিভাবক ছাড়াই, আমি আগেই বলেছি দুটি চুম্বক যদি পাশাপাশি রাখা হয় তাহলে প্রাকৃতিকভাবেই একটি চুম্বক অন্যটিকে কাছে টানবে এটাই স্বাভাবিক। তবে মানুষ সৃষ্টির সেরা সবাই খারাপ এটা বলা কখনই যাবেনা ঈমানদারগণ তাদেরকে নিজেদেরকে সেভ করে চলতেছে এটা মালয়েশিয়ায় দেখেছি অনেক অনেক ভালো মানুষ মালয়েশিয়ায় দেখেছি কষ্ট করে পরিশ্রম করে টাকা উপার্জন করছে হালাল পন্থায়। তবে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশীদের রসায়ন।

দেখেছি ইন্দোনেশিয়ান নারীদের সাথে, কেউ কেউ বিবাহ বন্ধন ছাড়াই ইন্দোনেশিয়ান নারীদের সাথে একই রুমে বসবাস করে আসতেছে মাসের-পর-মাস কেউ কিছু বলার নেই। অন্যদিকে ছোটখাটো বাজার এলাকায় সেখানে গড়ে উঠেছে মালয়েশিয়ায় বিখ্যাত মাসাজ পার্লারের অন্তরালে চলে অন্য ব্যবসা। তবে খারাপ ছেলেরা ছাড়া ভালো মানুষ

কখনোই ঐসকল স্থানে পা বাড়ায়, ফিলিপাইন থাইল্যান্ড ভিয়েতনাম এ সকল দেশ থেকেই তরুণীরা এসে সেবা প্রদান করে থাকে এ সকল মাসাজ পার্লার গুলিতে। রঙিন মালয়েশিয়ায় রঙ্গিন যৌবন শেষ করে হতাশায় জীবন যৌবন রিজিক টাকা পয়সা সব শেষ করে, খালি হাতে ফকির হয়ে দেশে ফিরেছেন অনেক বাংলাদেশী আমি দীর্ঘ 12 বছর দেখেছি।

মালয়েশিয়ার সরকারি নিয়ম অনুযায়ী একজন বাংলাদেশী ছেলে এবং একজন ইন্দোনেশিয়ান মেয়ে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা কালে তারা বিয়ে করতে পারবে না যা মালয়েশিয়ার আইন বিরোধী কারণ মালয়েশিয়া সরকার এ দেশে যদি কোনো বিদেশিদের সন্তান জন্ম হয় তাহলে তাকে তারা রাষ্ট্রহীন সন্তান হিসেবে গণ্য করে মালয়েশিয়ার এই কঠিন নিয়ম এদেশে জিনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও অনেক বাংলাদেশি আছেন মালয়েশিয়ায় বিয়েসাদী করে সুখে শান্তিতে বসবাস করতেছেন সন্তান সন্ততিও রয়েছে তারাও মালয়েশিয়ার নাগরিকত্ব পেয়েছেন কিন্তু বর্তমানে তাও কঠিন করে দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ একটি যে ঘটনাটি বলব সেটি হল জোহর ভারতে আমি একটি কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট।

3 বছর কাজ করেছি সেই কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট একজন ইন্দোনেশিয়ান নারীকে আমি লক্ষ করেছি সে দিনের বেলায় কাজ করতো আমাদের সাথেই রাতে থাকতো একজন বাংলাদেশির সাথে, তিন মাস পর ওই বাংলাদেশি কাজ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর, ইন্দোনেশিয়ার নারী আরেকজন বাংলাদেশির সাথে থাকতো, তাও আবার দুমাস পর বাংলাদেশি কাজ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর আরেক বাংলাদেশির সাথে থাকতে শুরু করে, সুতরাং তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।।

সর্বশেষ আমি যে কথাটি বলবো রঙ্গিন মালয়েশিয়ায় এসে বাংলাদেশের যুবকরা যেন এদেশীয় নারীদের রঙ্গিন ভালোবাসার ফাঁদে পা না বাড়ায় তাহলে জীবন যৌবন দুনিয়া আখেরাত শেষ হয়ে যাবে সুতরাং সবার উচিত নামাজ পড়ে সততার সাথে জীবন পরিচালনা করা যাতে করে দুনিয়ায় এবং পরকালে সফল হতে পারে না হয় শয়তানের ফাঁদে পা ফেললে দুনিয়া শেষ হয়ে যাবে টাকা পয়সা সব শেষ হয়ে যাবে খালি হাতে ফকির হয়ে বাংলাদেশে ফিরতে হবে তখন আর কিছুই করার থাকবেনা।

Reply