আর্মেনিয়া আজারবাইজান সং’ ঘ’ র্ষে ৫০০০ নি’ হ’ ত, তৃতীয় বি’ শ্ব’ যু’ দ্ধে’ র আশঙ্কা…

বিতর্কিত নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সম্প্রতি সং’ ঘ’ র্ষ প্রায় ৫০০০ মানুষ নি’ হ’ ত হয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শুক্রবার মস্কোতে এমন মন্তব্য করেছে বলে বিবিসি জানিয়েছে।

এ পর্যন্ত নি’ হ’ তে’ র সংখ্যা নিয়ে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার পক্ষ থেকে যেসব তথ্য দিয়েছে তার চেয়ে পুতিনের ঘোষিত সংখ্যা অনেক বেশি। অন্যদিকে যেভাবে সং’ ঘ’ র্ষ বাড়ছে তাতে বিশ্বে তৃতীয় বিশ্ব’ যু’ দ্ধে’ র আশঙ্কা করছেন সামরিক পর্যবেক্ষকরা।

পুতিনের বক্তব্য, উভয় দেশের বহু মানুষ এ সং’ ঘ’ র্ষে নি’ হ’ ত হয়েছে, প্রত্যেক দেশ থেকে দুই হাজারের বেশি করে মানুষ প্রা’ ণ হা’ রি’ য়ে’ ছে এবং এ সংখ্যা পাঁচ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।

পুতিনের এই ঘোষণার আগে নি’ হ’ তের’  সংখ্যা কখনো এক হাজার অ’ তিক্র’ ম করেনি।এর আগে নাগরনো-কারাবাখ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সং’ ঘ’ র্ষে তাদের ৮৭৪ জন সেনা ও ৩৭ জন অসামরিক নাগরিক নি’ হ’ ত হয়েছে।

পুতিন জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিন কয়েকবার দু’দেশের সঙ্গে সংঘাত বন্ধের উপায় নিয়ে কথা বলছেন এবং এ সং’ ঘ’ র্ষে কোনও একটি পক্ষকে তার দেশ সমর্থন করছে না।আর্মেনিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সামরিক চুক্তি থাকার পাশাপাশি দেশটিতে রাশিয়ার একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

অন্যদিকে আজারবাইজানের সঙ্গেও রাশিয়া ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রক্ষা করে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়।এই দুই দেশ এ পর্যন্ত দুই বার যু’ দ্ধ’ বি’ রতিতে সম্মত হলেও স্বল্প সময়ের ব্যবধানে সং’ ঘ’ র্ষ ফের শুরু হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিকভাবে নাগার্নো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু ১৯৯০ এর দশকে সেখানে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে আর্মেনিয়া। ফলে দখলীকৃত এলাকা থেকে বহু আজারি নাগরিককে বিতাড়িত করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

Reply