“মুসলিমদের বিভ্রান্ত করছে CAA বিরোধীরা”, বললেন মোহন ভাগবত

নাগপুরে বিজয়া দশমীর বার্ষিক বক্তৃতায় সিএএ নিয়ে মন্তব্য করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। তিনি মনে করেন,সিএএ-র নামে প্রতিবাদের ভান করে সুবিধাবাদীরা হিংসা ছড়িয়েছে।

দাঙ্গাবাজ ও সুবিধাবাদীরা এখনও হিংসা ছড়ানোর পরিকল্পনায় ব্যস্ত। এদিনের বক্তৃতায় তার থেকে শোনা যায়,৩৭০ ধারার বিলুপ্তি, লাদাখে চিনা আ’গ্রাসন সহ বছরের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার কথা।

মহর্ষি ব্যাস অডিটোরিয়ামে এই বক্তৃতার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ক’রোনা সচেতনতার কারণে মাত্র পঞ্চাশ জন স্বেচ্ছাসেবীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। সংবাদসূত্র মারফত খবর,মোহন ভাগবত এদিন বলেন,”২০১৯ সালে ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি ঘটে।

গোটা দেশ এই সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করেছি‌ল। ২০২০ সালের ৫ আগস্ট রামমন্দিরের ভূমিপুজার যুগান্তকারী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এই সব ঘটনায় ভারতীয়দের ধৈর্য ও সংবেদনশীলতার পরিচয় আমরা পেয়েছি”।

আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত আরো বলেন,”সিএএ-বিরোধী আন্দোলন দেশে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। এটা নিয়ে আরও এগোনোর আগেই ফোকাস সরে গেল করোনার উপরে। করোনা অন্য সব বিষয়কে ঢেকে দিয়েছে।” তিনি বলেন,”সিএএ কোনও ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বিরোধিতা করে না।

কিন্তু যারা এর বিরোধিতা করছে তারা আমাদের মুসলিম ভাইদের বিভ্রান্ত করেছে। তারা বলেছে, মুসলিম জনসংখ্যাকে সীমিত করার জন্য এই আইনের প্রণয়ন করা হয়েছে। CAA’র নামে প্রতিবাদের ভান করে সুবিধাবাদীরা হিংসা ছড়িয়েছে।”

ভারত-চিন সীমান্তে চিনা সৈন্যের আগ্রাসন নিয়েও বক্তব্য রাখেন মোহন ভাগবত। তাঁর কথায়, ভারতীয় সেনা, দেশের জনগণ, এবং কেন্দ্রীয় সরকার লাদাখ সীমান্তে চিনা অনুপ্রবেশের জন্য তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।

তিনি বলেন,”চিনের থেকেও সামরিক প্রস্তুতিতে আমাদের বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠতে হবে”। অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত রাখার কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তৃতায়।

Reply