“দুর্নীতি উন্নয়নের ক্ষতি করে”, দায়বদ্ধ ও স্বচ্ছ প্রশাসন তৈরীর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী

ন্যাশনাল কনফারেন্স ওন ভিজিলেন্স অ্যান্ড অ্যান্টি করাপসন এ ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার। সেখানে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন,”দু’র্নীতির ফলে ক্ষতি হয় উন্নয়নের। এর ফলে সমাজে বৈষম্যেরও সৃষ্টি হয়। এই ধরনের ঘটনা রুখতে তাই স্বচ্ছ, দায়বদ্ধ ও উত্তর দিতে সমর্থ প্রশাসন তৈরি করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রীর কথায়,স্বচ্ছ এবং দায়বদ্ধ প্রশাসন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা এবং বিপত্তির সৃষ্টি করে দুর্নীতি। দুর্নীতি হলো সবচেয়ে বড় শত্রু। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন,”উন্নয়নের জন্য আমাদের প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে স্বচ্ছ, দায়বদ্ধ ও মানুষের কাছে উত্তর দেওয়ার উপযোগী করে তুলতে হবে।

দু’র্নীতি এই ধরনের বিষয়গুলির সবচেয়ে বড় শত্রু। দুর্নীতির ফলে উন্নয়নের ক্ষতি এবং সামাজিক স্থিতাবস্থা নষ্ট হয়। আজকে আমি যখন এই বিষয়ে বক্তব্য রাখছি তখন গোটা দেশ সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি ভারতীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার অন্যতম স্থপতি ছিলেন।”

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দাবি, দেশজুড়ে দু’র্নীতি দমনের লক্ষ্যে বিজেপি সরকার কড়া হাতে নজরদারি চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন,”বছরের পর বছর, দুর্নীতির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলছিল এই দেশ। কিন্তু, ২০১৪ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে।

প্রশাসনিক, ব্যাংকিং, স্বাস্থ্য, শিক্ষা. কৃষি ও শ্রম-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতির ঘটনা কমেছে। এখন ডায়রেক্ট ব্যাংক ট্রান্সফারের ফলে গরিবদের কাছে ১০০ শতাংশ সুবিধা পৌঁছচ্ছে. এর ফলে ১ লক্ষ ৭০ হাজারের বেশি টাকা ভুল হাতে যাওয়া বন্ধ হয়েছে। তাই আজ গর্বের সঙ্গে বলা যায় যে কেলেঙ্কারির যুগ পেরিয়ে এসেছে এই দেশ”।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মনে করেন,দু’র্নী’তি দেশকে নরকে পরিণত করে। তিনি বলেন,”দু’র্নী’তি, অর্থনৈতিক অপরাধ, মা-*দ-ক, আর্থিক দু-র্নীতি, স-*ন্ত্রাসে অর্থের যোগান দেওয়া এই প্রত্যেকটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এগুলিকে আটকাতে গেলে আমাদের সততার সঙ্গে নজরদারি করতে হবে ও দু’র্নীতির বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিত হবে।”

Reply