“বিজেপি যেটা বলে, সেটা করে”, বিহারে ভোট প্রচারে বড় প্রতিশ্রুতি মোদির

বিহারে প্রথম দফা ভোটের প্রচার পর্ব শেষ হতেই তাঁর দ্বিতীয় দফার প্রচার শুরু করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অযোধ্যার রামমন্দির থেকে বিরোধীদের জঙ্গলরাজ, উন্নয়নের অর্থ আত্মসাতের তাস,এইসকল কথা উঠে এলো তাঁর বক্তব্যে।

বুধবার বিহারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে নির্বাচন চলাকালীন দ্বিতীয় দফার ভোটের জন্য দ্বারভাঙার রাজ ময়দানে এক সমাবেশের আয়োজন করেন। এই সভা থেকেই রাম মন্দির নির্মাণের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব বিজেপিকে দেওয়ার পাশাপাশি হিন্দুত্বকে বড় করে তুলে ধরলেন মোদি।

দ্বারভাঙ্গার সভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন,”বহু দশকের তপস্যার পর অবশেষে অযোধ্যায় ভব্য রাম মন্দির নির্মাণ শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজনীতির সেইসব লোকের যারা কিনা এতদিন আমদের কাছে মন্দির নির্মাণের তারিখ জানতে চাইতেন, তাঁরাও আজ বাধ্য হয়ে হাততালি দিচ্ছে। বিজেপি যা বলে সেটা করে।

এনডিএ যা বলে সেটা করে। তিনি আরো বলেন,”মা সীতার এই এলাকায় এসে আমি এখানকার মানুষদের মন্দির নির্মাণের শুভেচ্ছা জানাই। কারণ, আপনারাই এর উপযুক্ত প্রাপক”।

ইতিপূর্বে বিহারে গিয়ে ভোটের প্রচারে স্থানীয় বিষয় বাদ দিয়ে জাতীয় বিষয় এর উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগের জনসভায় কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা লোপ নিয়ে কথা বলেন তিনি। এদিনের সভায় নীতীশ কুমারের ১৫ বছরের শাসনকালের পরিবর্তে লালুর আমলের ১৫ বছরের ‘জঙ্গলরাজ’ নিয়ে সমালোচনা করেন মোদি।

দ্বারভাঙ্গার সভায় বলেন,”বিহারের মানুষ ঠিক করে ফেলেছে, বিহারে জঙ্গলরাজ যারা চালিয়েছে তাঁদের আবার হারাবে। যারা বিহারকে লুটে নিয়েছে, তাঁদের আবার হারাবে। যারা বিহারের যুব সমাজকে ঠকিয়েছে, যারা মহিলাদের উপর নির্যা’তন করেছে, তাঁদের আবার হারাবে। এদের ট্র্যাক রেকর্ড মনে রাখবেন।

এরা সেইসব মানুষ যাদের আমলে বিহারে অপরাধমূলক কাজকর্ম দিগুণ হয়েছিল। এঁরা কৃষকদের ঋণ মকুব করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেখানেও দুর্নীতি করে। এঁরা চাকরি দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করে। এরা বিহারকে ফের ‘বিমার’ রাজ্যে পরিণত করতে চায়।

Reply