বেকারত্ব নিয়ে চুপ কেন নরেন্দ্র মোদী? প্রশ্ন তেজস্বী যাদবের

বিহারের প্রথম দফার ভোট শেষ হতে না হতেই দ্বিতীয় দফা ভোটের জন্য বক্তব্য রেখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভোটের প্রচারে দ্বারভাঙা সহ আরও দুটি জায়গায় বক্তব্য রেখেছিলেন তিনি।

আর সেখানেই লালুপ্রসাদের “জঙ্গল রাজ” প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। তেজস্বী যাদবকে জঙ্গলরাজের যুবরাজ বলেও আখ্যা দেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিন প্রধানমন্ত্রীকে সেই কটাক্ষের জবাব দিলেন আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব।

বিরোধী মহাজোটের মুখ্যমন্ত্রী পদ প্রার্থী তেজস্বী যাদব বলেন,”উনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। ওনার মনে যেটা আসবে তিনি সেটা বলতে পারেন। আমি এই বিষয়ে কোনও কিছু বলতে চাই না। তবে আমার অন্য একটি বিষয়ে বলার আছে।

তিনি বিহারে এসে এখানকার আসল সমস্যাগুলি নিয়ে কেন মুখ খুললেন না। বিশেষ প্যাকেজ, বেকারত্ব এবং আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি কিছুই বলেননি”।

এদিন তেজস্বী যাদব আরো বলেন,”, বিজেপি বিশ্বের সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল। তারা নির্বাচনী প্রচারে ৩০টি হেলিকপ্টর ব্যবহার করছে। যদি সেই দলের প্রধানমন্ত্রী এই ভাষায় কথা বলেন, তাহলে আমার আর কিছু বলার নেই। আমরা রাজ্যের গরিবদের নিয়ে কথা বলছি। কাজ নেই, ফ্যাক্টরি বন্ধ, বেকারত্ব নিয়ে কথা বলছি। কৃষকদের সমস্যা নিয়ে কথা বলছি। কিন্তু বিজেপি চুপ রয়েছে”।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর বিহারে জনসভা করতে গিয়েছিলেন। একই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার। নির্বাচনী প্রচারে অর্থনীতি নিয়ে বিরোধীদের যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

বিহারের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য নীতীশ কুমারের প্রশংসা করেন তিনি। কংগ্রেস-আরজেডি মহাজোটের নাম না করে প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন,”যারা এতদিন জঙ্গলরাজ চালিয়েছিল বিহারের মানুষ তাদের উৎখাত করবে।

সাধারণ মানুষের জীবন আগে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। আমাদের মা-বোনেরা স্বাভাবিকভাবে বাঁচতে পারছিলেন না।” এরপরেই তেজস্বী যাদব কে “জঙ্গলরাজের যুবরাজ” বলে আখ্যা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরজেডি দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন,”কৃষি ঋণের নামে আগে আর্থিক তছরুপ হত। চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়া হত। কিন্তু এনডিএ সরকার উন্নয়নের জন্য কাজ করেছে।

তাই লোভী ও স্বার্থান্বেষী মানুষের থেকে সতর্ক থাকতে হবে বিহারের মানুষকে”। তবে যাদব এবং মুসলিম জোট বিহারের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

Reply