“রাজ্যে গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে”, রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিলীপের

পশ্চিমবঙ্গ জুড়েই একুশের বিধানসভা নির্বাচনের খুব বেশি দেরি নেই।ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দিল্লিতে সাক্ষাৎ সেরে নিয়েছেন রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।

বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অমিত শাহের কাছে একাধিক অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে আবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে যে রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা বলেছিলেন, সে কথাও রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন,”বিজেপি নৈতিকভাবে ৩৫৬ ধারার পক্ষে নয়। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় আসা উচিত। আমরাও আসব। কিন্তু গণতান্ত্রিক পরিবেশ না থাকলে তখন ৩৫৬ ধারা জারির পরিস্থিতি আসবে

তখন আমরাও ভেবে দেখব। রাষ্ট্রপতি শাসন পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।” তিনি আরও বলেন,”গণতান্ত্রিক পরিবেশে যেন এ রাজ্যের মানুষ ভোট দিতে পারে সেটা নির্বাচন কমিশনকে ঠিক করতে হবে।”

একইসঙ্গে দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন,”কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকা সত্ত্বেও বাংলায় লোকসভা নির্বাচনে সব আসনে রিগিং, ঝামেলা ইত্যাদি হয়েছে। গোটা দেশে ভোট হল কিন্তু এখানেই এত ঝামেলা।

পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়তেও আমরা দেখলাম।” এদিন দিলীপ ঘোষ রাজ্যপালকে সমর্থন করেন। দিলীপ ঘোষ বলেন, হিংসার নীতিকেই মদদ দিচ্ছে রাজ্যের প্রশাসন। রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর ঠিকই বলেছেন। এদিন সায়ন্তন বসু বলেন,”বাংলায় যা ঘটছে পরিস্থিতি রাষ্ট্রপতি শাসনের দিকেই এগোচ্ছে”।

এসবের মধ্যে রাজ্যজুড়ে যেভাবে বিজেপি কর্মীদের মৃ*’ত্যু ঘটছে তা নিয়েও সরব হন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন,”পুজোর সময়েও বিজেপি কর্মীদের হ*’ত্যা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ১২০ জন বিজেপি কর্মী খু*’ন হয়েছে। দরকার হলে আরও ১২০ জন প্রাণ দেবে। কিন্তু বাংলায় পরিবর্তন করবই।”।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বেশ কিছুদিন আগেই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তখন চা চক্রে যোগ দেওয়া হয়নি তার। তবে এখন তিনি একেবারে সুস্থ। সেই কারণেই বৃহস্পতিবার জ্যাংরায় চা চক্রে যোগদান করেন তিনি।এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে অভ্যর্থনা জানাতে বিজেপি কর্মীদের যথেষ্ট সমাগম দেখা যায় জ্যাংরাতে।

Reply