“লাশ চুরি করছেন মমতা, অনুব্রত ডাকাতের সর্দার”, বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ সৌমিত্রর

বীরভূমের মল্লারপুরে পুলিশি হেফাজতে থাকা নাবালকের মৃ*ত্যুর প্রতিবাদে শনিবার ১২ ঘন্টার বন্ধ ডাকে বিজেপি। এদিন ওই অঞ্চলের সকাল থেকে দোকানপাট বন্ধ ছিল। এমনকি সবজির বাজার ও বসেনি।

বিজেপির পক্ষ থেকে বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর নেতৃত্বে মল্লারপুর থানা ঘেরাও করার উদ্দেশ্যে বিরাট মিছিল বের করা হয়।

কিন্তু কিছুদূর যেতে না যেতেই পুলিশ তাদের মিছিল আটকায়। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। পুলিশ ব্যারিকেড দিলেও ব্যারিকেড ভেঙে দেয় বিজেপি কর্মীরা। একের পর এক ব্যারিকেড ফেলে দেয় তারা।

পুলিশের সঙ্গে বিজেপি নেতা কর্মীদের ধস্তাধস্তিও শুরু হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিশাল পুলিশবাহিনী পরিস্থিতি সামাল দিতে আসেন। তখনই বিজেপি নেতা কর্মীরা রাস্তায় বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে শুরু করেন। তাদের সাথে সঙ্গ দেন সৌমিত্র খাঁ। সুবিচারের আশায় রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হবেন বলেও জানান তিনি। মল্লারপুর থানার ওসিকে গ্রেপ্তার করার দাবি জানান তারা।

এদিন সৌমিত্র খাঁ বলেন,”এই সরকার যদি মনে করে পুলিশকে দিয়ে এ সব কিছু করাবে, তা কিন্তু চলতে পারে না। আমরা এর বিরুদ্ধে থানার সামনে অবস্থানে বসব।” তাঁর অভিযোগ,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লা*শ চু*রি করছেন আর অনুব্রত মণ্ডল ডাকাতের সর্দার।

শুভ মেহেনা (‌১৪)‌ নামে মৃত ওই নাবালকের পরিবারকে হু’মকি দিচ্ছে তৃণমূল।” অন্যদিকে আবার বিজেপি–র বিরুদ্ধে দেহ নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ করেছে তৃণমূল।

এদিন সৌমিত্র খাঁ প্রশ্ন করেন,”শুক্রবার সকালে ওই নাবালকের মৃত্যুর পর পুলিশ কেন তার দেহ লুকিয়ে লুকিয়ে সৎকার করল?‌ দেহ কেন গ্রাম পর্যন্ত এল না?‌ কেন ওই নাবালকের মা–বাবার সঙ্গে পুলিশ আমাকে কথা বলতে দিচ্ছে না। মল্লারপুরে পুলিশ হল তৃণমূলের সবচেয়ে বড় গুন্ডা। আমরা গু’ন্ডা’দের ভয় পাই না।”

Reply