“রাষ্ট্রদ্রোহীরাই এখন তৃনমূল নেতা” মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

গত কয়েকদিন আগে বিজেপিকে দেখা গিয়েছিল নবান্ন অভিযান করতে। বিশেষত সাঁতরাগাছি, ডানকুনি, হেস্টিংস, ডুমুরজলা এলাকায় এই অভিযান ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছিল।

এক কথায় বলতে গেলে কলকাতা তিলোত্তমা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। এরপরে পুলিশ আসে সে অঞ্চলগুলিতে এবং পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে গিয়েছিল।এছাড়াও নবান্ন অভিযান এর মত উত্তরবঙ্গের অভিযান করা হবে।

আবারও বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ আজকে বিষ্ণুপুরে রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের ওখানে একটি কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। কর্মসূচির নাম চায়ে সে চর্চা, সেখানে দিলীপ ঘোষ সাধরন মানুষের সাথে কথা বলে।

সেখানে বিজেপি দলের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে তিনি বক্তব্য রাখেন, রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাহাড়ে উঠেছে। নবান্নে বিনয় ও বিমলের বৈঠক নিয়ে কথা বলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ রয়েছে তারা এখন তৃণমূল নেতা।

দিলীপ ঘোষ নবান্নের বিনয় ও বিমলের রবৈঠক নিয়ে তীব্র নিন্দা করেছে এবং সমালোচনা করেছেন। কটাক্ষের তীর তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী সম্বন্ধে বলেছেন রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে তিনি পাহাড়ে উঠতে চাইছে এবং নিজের দলের পতাকা রাখতে চাইছেন।

এছাড়াও দিলীপ ঘোষ বলেন বিজিপি দল যতদিন আছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই স্বপ্ন কোনদিন সত্যি হবেনা। মানুষ বেশি দিন এই অরাজকতা সহ্য করবেনা কারন মানুষ দেখতে পাচ্ছেন কিভাবে রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে তিনি কাজ করছেন।

অন্যদিকে দিলীপ ঘোষ বলেন তিনি রাজ্যপালে দিলীপ ধনকর উওরবঙ্গ পাহাড়ের সফরকে সমর্থন করেন। তিনি আরো বলেন যারা রাজ্যপালের এই পাহাড়ের সম্পর্কে সমালোচনা করছেন তাদের পাহাড়ে যাওয়ার কোনো ক্ষমতাই নেই।

দিলীপ ঘোষ রাজ্যপালের যত প্রশংসা করেছেন তিনি বলেছেন তার উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত। রাজ্যপাল তার দায়িত্ব ও কর্তব্য খুব ভালোভাবে পালন করছেন। উওরবঙ্গের মানুষেরা উৎসাহ পাবে রাজ্যপাল সফরে গেলে। বৈঠক শেষে দিলীপ ঘোষ বলেন শুভেন্দু অধিকারী কে উদ্দেশ্য করে বলেন, দরজা খোলা আছে, যেদিন ইছা হয় আস্তে পারেন।

Reply