‘বড় মায়ের কাছে পুজো দিলে কেউই নাকি খালি হাতে ফেরেন না, মা পূরণ করেন সকলের মনোস্কামনা

করোনার এই আবহ যেন পাল্টে ফেলেছে আমাদের সাধারণ জনজীবনকে । থমকে গেছে সমস্ত কিছু। বাঙালির একের পর এক বড় বড় উৎসব হয়েছে বন্ধ । সে মত দুর্গাপুজো তেও ছিলনা কোন আনন্দের আমেজ । সামনে আসছে কালীপুজো ।

এখনো পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফ থেকে কালী পূজা সম্পর্কে কোন বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশিত না হলেও বেশ কয়েকটি জায়গায় কালী পুজোর তোর জোরে সুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে । ঠিক সেরকমই উত্তর ২৪ পরগনার জনপ্রিয় কালী পূজার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় পুজো হল নৈহাটির বড় মায়ের পুজো।

এই নৈহাটির বড় মায়ের পুজো এবছর শতবর্ষে পা দেবে । কাজেই অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর একটু আলাদা রকম ভাবে করার পরিকল্পনা ছিল পুজো কমিটির সদস্যদের। কিন্তু করোনার কারণে তা আর হয়ে উঠলো না। তার পাশাপাশি আপনাদের জানিয়ে রাখি এই বড়মা কাউকে খালি হাতে ফেরায় না এমনটা কথিত আছে। তাই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তের ঢল নামে নৈহাটির বড়মার পুজো দিতে।

প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ২১ হাত অর্থাৎ ১৪ ফুটের বড়মার মায়ের মূর্তি তৈরি করছেন মৃৎশিল্পীরা। তার পাশাপাশি কালীপুজো কে কেন্দ্র করে দেওয়া হয়েছে যথেষ্ট সতর্ক বার্তা। কোনরকম ভিড় যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখবে পুজো কমিটির সদস্যরা এমনটা জানা গিয়েছে সূত্রের খবর অনুসারে।

এ ব্যাপারে বারাসাতের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা সেদিন পরিদর্শনে আসেন।বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের অন্যান্য পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে এদিন নৈহাটিতে বড় মায়ের মণ্ডপ পরিদর্শন করে এখানকার পুজোর প্রধান উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ কমিশনার ।

বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা সকলের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট বার্তা দেন, “চলতি বছরে করোনা আবহে বাজি ফাটানো বা বাজি পোড়ানো থেকে যাতে সকলে দূরে থাকে, সেই অনুরোধ করা হচ্ছে । প্রশাসনের পক্ষ থেকে বড় মায়ের পুজো উপলক্ষে ভিড় নিয়ন্ত্রনে রাখার সব ধরনের ব্যবস্থা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হবে ।” স্বাভাবিকভাবে ফেরার একবার আনন্দে মাততে চলেছে নৈহাটির বাসিন্দারা ।

Reply