‘বিজেপির দালাল ওয়েইসির মিম’, বিহার ভোট নিয়ে এবার বি’ স্ফো’ র’ ক অনুব্রত মন্ডল

বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এখন সরগরম গোটা দেশ। এই ফলাফল সামনে আসার পরেই নানা মহলে শুরু হয়ে গেছে তরজা, একের পর এক মন্তব্য করে চলেছেন একাধিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। চুপ করে থাকছেন না বাংলার রাজনৈতিক মহলও। ফল ঘোষণার পর দিনই বিহার নিয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডল। বিহারের নির্বাচনী ফলাফল খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়, এমনটাই দাবি করেছেন তিনি।

জানা গেছে, বুধবার বীরভূমের লাভপুরে তৃণমূলের একটি কর্মীসভা আয়োজিত হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, জেলা পরিষদের মেন্টর অভিজিৎ সিংহ, সাংসদ অসিত মাল, লাভপুরের ব্লক সভাপতি তরুণ চক্রবর্তী, মান্নান হোসেন-সহ জেলা নেতৃত্বের আরো অনেকে। এই সভাতেই বিহারের ভোট নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেছেন অনুব্রত মন্ডল। তাঁর কথায়, “ফলাফল নিয়ে চূড়ান্ত ধোঁয়াশা রয়েছে।”

শুধু তাই নয়, বিহার নির্বাচনে মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা মিম দলের ভূমিকা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি। মিম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়েইসিকে ‘বিজেপির দালাল’ বলে উল্লেখ করে অনুব্রত মন্ডলের দাবি, বিহারে বিজেপিকে সাহায্য করেছে ওয়েইসির দল। “আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন বা মিম হল বিজেপির দালাল। এই দলটি ৩৬টি আসনে ভোট কেটে বিজেপিকে জিতিয়ে দিয়েছে। আমি মুসলিমের বন্ধু, কিন্তু ও মুসলিমের বন্ধু নয়। সম্পূর্ণ বিজেপির দালাল”, বলেন তিনি।

এক্ষেত্রে উল্লেখ্য , বিহার নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টিকে সাহায্যের অভিযোগ উঠেছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দলের বিরুদ্ধে। মূলত কংগ্রেসের তরফ থেকে এই অভিযোগ উঠলেও পরে তাতে সায় দিয়েছে বিরোধীদের অনেকেই। বিহারে ২০টি আসনে লড়ে ৫টি দখল করেছে তারা। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গেও আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়বে বলে জানিয়েছেন মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।তার পরিপ্রেক্ষিতে অনুব্রত মন্ডলের বক্তব্য, ”মিমকে বিশ্বাস করবেন না। যে পয়সার বিনিময়ে বিজেপির দালালি করে, সে অন্যায় করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়র উন্নয়ের জন্য বিজেপি এখানে দাঁত ফোটাতে পারবে না। আর এখানকার হিন্দু-মুসলিম খুব সচেতন। আসাদউদ্দিন ওয়েইসি যদি এখানে প্রার্থী দেয়, সে ব্যাপারে এখানকার মুসলিম সম্প্রদায় সচেতন থাকবে।” সব মিলিয়ে বিহার নির্বাচনের ফলাফলের পরেই কার্যত বেজে গেছে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের দামামা।

Reply