ভুলে যাননি! ভাইরাল ‘চা কাকু’র সঙ্গে ফের দেখা করলেন সাংসদ মিমি, দিলেন বিজয়ার মিষ্টি

কয়েক মাস আগে ভাইরাল হওয়া ‘চা কাকু’কে নিশ্চয়ই এত তাড়াতাড়ি ভোলে নি সোশ্যাল মিডিয়া। “আমরা কি চা খাবো না?”- জনতা কার্ফুর কড়াকড়ির বিরুদ্ধে এই সরল স্বীকারোক্তির পর ‘চা কাকু’ ওরফে মৃদুল দেবের দিকে প্রথম সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। বিজয়ার পর ফের একবার সেই ‘চা কাকু’র সঙ্গে দেখা করলেন মিমি, শুনলেন তাঁর সমস্যার কথা।

বৃহস্পতিবার নিজের পাটুলির অফিসে এসেছিলেন জনপ্রিয় টলিউড অভিনেত্রী এবং যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। সেখানেই ‘চা কাকু’ বলে পরিচিত মৃদুল দেবের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। শুধু তাই নয়, এরপর তাঁর হাতে তুলে মিমি বিজয়ার মিষ্টি তুলে দিয়েছেন বলেও জানা গেছে।

বস্তুত, ‘চা কাকু’ ওরফে মৃদুল দেব হলেন পেশায় দিনমজুর। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত জনতা কার্ফুর দিন বাড়ি থেকে চা খেতে বেড়িয়েছিলেন তিনি। ‘কেন বাড়ি থেকে বেড়িয়েছেন?’ এক তরুণীর প্রশ্নের উত্তরে সেদিন তিনি কাচুমাচু মুখে বলেছিলেন, “আমরা কি চা খাবো না?” মৃদুল দেবের ওই বক্তব্য ভিডিও বন্দী করেছিলেন ওই তরুণী।লকডাউনের আবহে তরুণীর মুঠোফোনের ওই ভিডিওটি মুহূর্তে ভাইরালও হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়া দিনমজুর মৃদুল বাবুকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসি ঠাট্টা চলেছিল দেদার। কিন্তু তাঁর সংসারে অভাবের কথা শুনে প্রথম যিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি হলেন মিমি চক্রবর্তী। লকডাউন কালে ‘চা কাকু’র সংসার চলবে কিভাবে? এই ভেবে পর্যাপ্ত পরিমাণে চাল, ডাল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস তাঁর কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন সাংসদ মিমি। বলা বাহুল্য, বাদ যায় নি চা পাতাও।

তারপর থেকেই নিয়মিত মিমি চক্রবর্তী মৃদুল বাবুর খোঁজ খবর রেখেছেন বলে জানা যায়। বৃহস্পতিবার তিনি আবারও একবার ‘চা কাকু’র সঙ্গে দেখা করলেন। শুনলেন তাঁর সমস্যার কথা। তবে শুধু চা কাকুই নয়, এদিন পাটুলির অফিসে বিভিন্ন মানুষের সমস্যার কথা শোনেন মিমি চক্রবর্তী। সাহায্যের আশ্বাস দেন সকলকে।

Reply