রাজ্যপাল “বিজেপির মুখপাত্র”, ধনকড়কে কটাক্ষ নুসরতের

একুশের বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগিয়ে যাচ্ছে শাসক দল থেকে শুরু করে থেকে বিরোধী দলগুলি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলার আসনে কে বসবে সেই নিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে জল্পনার শেষ নেই।

যত দিন যাচ্ছে ভোটের উত্তাপ বাড়ছে। সোমবার তৃণমূল ভবন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহান। রাজ্যের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর সহ বিজেপি শিবিরকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করলেন তিনি।

রাজ্যের সঙ্গে রাজ্যপালের সম্পর্ক শুরু থেকেই ভালো নয়। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে হোক বা শিক্ষা ক্ষেত্র, যে কোনো দিক থেকেই দুর্নীতি দেখলেই শাসকদলের বিরুদ্ধে সরগরম করতে দেখা গিয়েছে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরকে।

তাই রাজভবন এবং নবান্নের মধ্যে টুইট, বাকবিতন্ডা পত্র আদান-প্রদান লেগেই থাকে। কিছুদিন আগেই গরুপাচার এবং কয়লা কাণ্ড নিয়ে তীব্র আ’ক্র’মণ করেছেন রাজ্যপাল। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন সাংসদ নুসরত জাহান।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,সোমবার দুপুরে বাঁকুড়ার জনসভায় কর্মসংস্থান নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক সেইসময় রাজ্য বিজেপির সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের অপদার্থতার কথা তুলে ধরে টুইট করেন।

লেখেন,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের মেয়াদ শেষের পর্যায়ে এসে ৩৫ লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্ত বাস্তব হল তৃণমূল কংগ্রেসের দুর্নীতি এবং সিন্ডিকেট নীতি, অবশিষ্ট চাকরিগুলিও ছিনিয়ে নিয়েছিল যুবক-যুবতীদের থেকে। সিএমআইই এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ অক্টোবর থেকে ২০২০ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে বেকারত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে ২১৭ শতাংশ। “

বসিরহাটের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ তারই জবাব দিলেন সাংবাদিক বৈঠকে। কর্মসংস্থান নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছেন তিনি। তিনি বলেন,”প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন বছরে ২ লক্ষ কর্মসংস্থান হবে।

একটিও হয়নি। এখন দিলীপ ঘোষ একই কথা বলছেন। ঢপবাজি বাংলায় চলবে না। বাংলার মানুষ অশিক্ষিত নন।” একইসঙ্গে নুসরত বলেন, বাংলা ভাষা এবং শিক্ষা সম্পর্কে বিজেপিকে ওয়াকিবহাল হলে তবেই যেন বিজেপি বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখে।

Reply