“আমফানের ত্রাণ চু’রি করা তৃণমূল নাকি ত্যাগী!”, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ লকেটের

একুশের নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ময়দানে নেমেছে শাসক দল থেকে শুরু করে বিরোধীরাও। রাজ্যের শাসক দলের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি ইতিমধ্যেই নানা রকম ভাবে মা মাটি মানুষ সরকারের ভুলভ্রান্তি মানুষের সামনে তুলে ধরতে ব্যস্ত।

হাল ছেড়ে দিতে শাসকদল রাজি নয়। টেরিবাজার লকেট চট্টোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী কে উদ্দেশ্য করে কটাক্ষের সুরে মন্তব্য করলেন। আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে তিনি বলেন,”একুশের নির্বাচনের পর কালিঘাটে পিসি আর ভাইপো বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কেউ থাকবেন না!”

পিছিয়ে নেই এই রাজ্যের শাসক দল। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রী জেলায় জেলায় সভা করতে শুরু করে দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বরাও নিজেদের মতো করে অঞ্চলভিত্তিক কর্মসূচি শুরু করেছেন।

বুধবার বাঁকুড়ায় সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে বিজেপি নেতা কর্মীরাও জেলায় জেলায় সভা করতে ব্যস্ত। বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় বুধবার মেচেদায় রেল ময়দানে কৃষি আইনের সমর্থনে সভা করেন। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে একহাত নেন এই বিজেপি নেত্রী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসকে “ত্যাগী” বলে ঘোষণা করেছেন। এবার সেই মন্তব্যকে ইস্যু করে মমতাকে কটাক্ষ করলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়।

তিনি বলেন,”আমফানের ত্রাণ চু’রি করা, কেন্দ্রের পাঠানো চাল-ডাল চু’রি করা তৃণমূল নাকি ত্যাগী!” বাংলায় বেকারত্ব নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করেন তিনি। বলেন,”ক’রো’নার কারণে পরিযায়ী শ্রমিকরা বাড়ি ফেরায় স্পষ্ট হয়েছে বাংলার কর্মসংস্থানের পরিস্থিতি।

বাংলায় কোনও কাজ নেই বলেই হাজার হাজার মানুষকে ঘর ছেড়ে, পরিজনদের ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে ভিনরাজ্যে। ক’রো’নার কারণে তাঁরা রাজ্যে ফিরলেও ফের তাঁদের চলে যেতে হয়েছে। বাংলায় শুধু তিনটেই শিল্প, চপ, ঢপ আর বোমা!”

খু*’ন ধ*র্ষ’ণ থেকে শুরু করে নারী নির্যাতন,প্রত্যেকটি অনৈতিক বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি ক্ষোভ উগরে দেন লকেট। লকেটের কথায়,মুখ্যমন্ত্রী সন্ত্রাস দমনে ব্যর্থ।

মানুষের স্বার্থে,সুস্থ বাংলাকে পেতে সাধারণ মানুষকে পদ্ম শিবিরে ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন লকেট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এদিন লকেটের মন্তব্য থেকে রেহাই পাননি।

তিনি বলেন,”বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূলে পিসি আর ভাইপো ছাড়া কেউ থাকবে না।” কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শঙ্কুদেব পণ্ডা-সহ একাধিক নেতা এদিন উপস্থিত ছিলেন।

Reply