অমিত শাহ নয়, জেপি নাড্ডার হাত ধরেই কি পদ্মফুলে শুভেন্দু, জোর জল্পনা

মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। গেরুয়া শিবিরেরও দাবি, তাঁদের দলেই আসছেন শুভেন্দু। শুধু সময়ের অপেক্ষা। বিজেপি সূত্রে এও জানা যাচ্ছে যে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কলকাতা সফরেই কি শুভেন্দুর দলবদল একপ্রকার নিশ্চিত।

গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ডিসেম্বর মাসের ৭, ৮ ও ৯ তারিখে বাংলা সফরে আসছেন নাড্ডা। ওই সময়ই শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন।সূত্রের খবর, শহিদ মিনারের জনসভায় গেরুয়া পতাকা হাতে তুলে নিতে পারেন শুভেন্দু।

তবে পুলিস সূত্রে খবর, শহিদ মিনারের সমাবেশের অনুমতি চেয়ে কোনও আবেদন এখনও জমা পড়েনি। আবার এই শনিবার তিনি দিল্লি যাচ্ছেন বলে খবর। সেখানে দলবদল করবেন কিনা তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে। এদিকে, শুভেন্দুর সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসতে চায় তৃণমূলও।

নন্দীগ্রামের বিধায়কের মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফার পরই তৃণমূলের তরফে সৌগত রায় বলেন, ‘‘এখনও বিধায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেননি উনি। দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেননি। যত ক্ষণ বিধায়ক আছেন, তত ক্ষণ দলের সদস্য উনি। মন্ত্রিত্ব ছাড়া একান্তই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত ওঁর। আমি এতে দুঃখিত।

ওঁর সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, দল ছাড়বেন না। আমি এখনও আশাবাদী। যত ক্ষণ দলে আছেন, আমি আশা করব এবং চেষ্টা চালিয়ে যাব ওঁকে দলে রাখার।’’বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ শুভেন্দুকে বিজেপিকে স্বাগত জানিয়েছেন ইতিমধ্যেই।

শুভেন্দুর পদত্যাগ প্রসঙ্গে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, ‘‘শুধু রাজ্যবাসীই নন, তৃণমূলের উপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছেন দলের নেতারাও।’’উল্লেখ্য, দু-দিন আগে রামনগরে দলীয় সভায় দাঁড়িয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয় দাবি করেছিলেন, শুভেন্দুর দল ছাড়া শুধু সময়ের অপেক্ষা!

এদিকে, এদিনও নিজের খাসতালুক ছেড়ে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর শুভেন্দুর সমর্থনে পোস্টার পড়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘‌দাদার হয়েই চলব মোরা দাদার হয়েই লড়ব। দাদার হয়েই বলবো মোরা। জিতব মোরা জিতব।’‌

এই পোস্টার থেকে দলবদলের বার্তা একেবারে স্পষ্ট বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। অন্যান্যবারের মতো এবারও পোস্টারে নেই কোনও দলের প্রতীক।

Reply